Category:রোমান্টিক গল্প
* স্টক আউট হওয়ার আগেই অর্ডার করুন
নকিবের হাতে আটটা রজনীগন্ধা ফুলের তোড়া। অনেকক্ষণ আগে কেনা হয়েছে। হয়তো সেই কারণে এখন আর সেই তোড়ায় রজনীগন্ধার কোনো সুবাস নেই। জৈষ্ঠ মাসের দুপুর। চারুকলা সড়কের মোড়ে প্রায় নিঃসঙ্গ একটা ছাপড়া দোকানের ছাউনির নীচে একটুখানি ছায়া। বাকি চারপাশে চোখ ধাঁধানো রোদের দগ্ধ গন্ধ। এমন গন্ধের তাপে রজনীগন্ধার সুবাস এমনিতেই ফিকে পড়ার কথা। সকালে যখন কেনা হয়েছিলো, তখন ফুলগুলো বেশ তরতাজা ছিলো। এখন ফুলের শরীরে সেই সতেজ ভাবটাও আর নেই।
ফুল কেন, নকিবের নিজের সতেজ ভাবটাও জৈষ্ঠ মাসের এই খা খা রোদে নিস্তেজ হয়ে গেছে। ছাপড়া দোকানের ছাউনির নীচে রাখা বেন্চে দুই দফায় বসার সুযোগ হয়েছিলো। চা মুড়ি বা কোমল পানীয় কিনে খেলে হয়তো আরো বেশি সময় সেখানে বসা যেতো। সেটা সম্ভব হয়নি। দুইবার চেয়ে কলের পানি খাওয়ার কারণে ছাউনির নীচে বসা গেছে। এরপর কিছু কিনে না খেলে নিশ্চই দোকানদার ওকে আর বসতে দেবে না।
নকিবের পকেটে এখন মাত্র সত্তর টাকা আছে। এখানে জেসিকার সাথে দেখা করার পর ওকে অনেকটা পথ হেঁটে মেহেরচন্ডী বাজার থেকে বাসে উঠতে হবে। সারংপুর পর্যন্ত বাসে যেতে ভাড়া নেবে কুড়ি টাকা। বাকি পন্চাশ টাকার একটা পয়সাও এখন খরচ করা যাবে না। কে জানে যদি জেসিকার সাথে দেখা হওয়ার পর সে কিছু খেতে চায়, বা রিকশা করে কোথাও বেড়াতে যেতে চায়। গতকাল প্রামান্যচিত্রের কাজের সময় সে বলেছিলো, কালকে এসো, আমরা দুজন রিকশায় করে ক্যাম্পাসে ঘুরবো।
কেউ বলে প্রেমের বর্ণ সাদা বা কালো। কেউ বলে প্রেম বর্ণহীন। কারও কাছে প্রেম রঙধনুর মতো বর্ণিল, রঙীন। আবার কেউ প্রেমের মাঝেই খোঁজে ধূসরের পন্চাশটি ছায়া – ফিফটি শেইডস অফ গ্রে।
এমন বৈচিত্রময় প্রেমের ভাবনা থেকে লেখা পনেরোটি গল্প নিয়ে নির্বাচিত প্রেমের গল্প।
Report incorrect information