‘আপনি যদি কখনো ভালো পরিবর্তনের বিরোধিতা করে থাকেন, তাহলে উইস্ট সহায়তা কেন করেছেন তা জানতে পারবেন।’ −ফোর্বস
‘দ্য মাউন্টেন ইজ ইউ’ কে পরিপূর্ণতার রেসিপি হিসেবে নয় বরং ক্ষতি কমানোর একটি অনুশীলন হিসেবে বিবেচনা করা সবচেয়ে ভালো। এমনকি আপনি যদি কখনো আপনার পর্বতের চ‚ড়ায় নাও পৌঁছান, তবুও আপনি আরোহণের সাথে সাথে অনুগ্রহ, স্থিতিস্থাপকতা এবং আত্ম-দর্শন অর্জন করবেন যা আধুনিক নেতৃত্বকে সংজ্ঞায়িত করে।’ −ইনকর্পোরেটেড
এটি আত্ম-নাশকতা স¤পর্কে একটি বই। আমরা কেন এটা করি, কখনো করি, এবং কীভাবে এটা করা বন্ধ করতে হয়- ভালোর জন্য। মিলেমিশে থাকে কিন্তু পর¯পরবিরোধী চাহিদা আত্ম-নাশকতামূলক আচরণ তৈরি করে। এই কারণেই আমরা পরিবর্তনের প্রচেষ্টাকে বাধা দেই, প্রায়ই যতক্ষণ না পর্যন্ত তারা স¤পূর্ণরূপে ব্যর্থতা অনুভব করে। কিন্তু আমাদের সবচেয়ে ক্ষতিকর অভ্যাস থেকে গুরুত্বপূর্ণ অন্তর্দৃষ্টি বের করে, আমাদের মস্তিষ্ক এবং শরীরকে আরও ভালোভাবে বুঝার মাধ্যমে মানসিক বুদ্ধিমত্তা গড়ে তোলার মাধ্যমে, কোষীয় স্তরে অতীতের অভিজ্ঞতা প্রকাশ করে এবং আমাদের সর্বোচ্চ সম্ভাব্য ভবিষ্যৎ সত্তা হিসেবে কাজ করা শেখার মাধ্যমে, আমরা আমাদের নিজস্ব পথ থেকে বেরিয়ে আমাদের সম্ভাবনার দিকে এগিয়ে যেতে পারি। শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে, আমরা যে বড়ো চ্যালেঞ্জগুলোর মুখোমুখি হই, বিশেষ করে যেগুলো অতিক্রম করা অসম্ভব বলে মনে হয়, পর্বতকে তার রূপক হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। আমাদের পর্বতমালায় আরোহণ করার জন্য, আমাদের আসলে গভীর অভ্যন্তরীণ কাজ করতে হবে যেমন মানসিক আঘাত খনন করা, স্থিতিস্থাপকতা তৈরি করা এবং আরোহণের জন্য আমরা কীভাবে উপস্থিত হব তা সামঞ্জস্য করা। শেষ পর্যন্ত, আমরা পর্বতকে আয়ত্ত করি না, বরং আমাদের নিজেদেরকেই করি।
'ওয়ান হান্ড্রেড ওয়ান এসেজ দ্যাট উইল চেঞ্জ দ্য ওয়ে ইউ থিংক', 'দ্য মাউন্টেইন ইজ ইউ', 'দ্য পিভট ইয়ার'-সহ অনেকগুলো বেস্টসেলিং বইয়ের লেখক ব্রিয়ানা উইস্ট। এ পর্যন্ত দশ লক্ষের বেশি বিক্রি হয়েছে তাঁর বইগুলো, অনূদিত হয়েছে চল্লিশটির বেশি ভাষায়।- একসময় কাজ করেছেন সাংবাদিক হিসেবে। ফোর্বস ও টিন ভোগ-সহ নামীদামী পত্রিকায় লিখেছেন। আত্ম-অনুসন্ধান ও মেডিটেশনের ওপর সৃজনশীল লেখালেখিও করেছেন। পর্যায়ক্রমে বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে যায় তাঁর লেখা, উপকৃত করে লক্ষ কোটি মানুষকে। বর্তমানে 'থট ক্যাটালগ' নামে একটি প্রতিষ্ঠানের অংশীদার ব্রিয়ানা উইস্ট, যেটি তাঁর বই ও অন্যান্য লেখালেখি প্রকাশ করে থাকে। বিশ্বজুড়ে নানা প্রতিষ্ঠান ও সম্মেলনে বক্তা হিসেবে নিয়মিত আমন্ত্রিত হন তিনি।