দুরন্ত থাম্ ... থাম্। আরে ব্যাটা থাম্। হাত থেকে সজীবের দড়ি খুলে যায়। দুরন্ত দৌড়াতে থাকে। পেছনে... পেছনে সজীবও দৌড়ায়।
আরে বাপ থাম্। সজীব লুঙ্গির গিঁট বাঁধে আর দৌড়ায়। এক সময় দুরন্তের দড়ি ধরে ফেলে। দুরন্তকে থামায়।
ব্যাটা, বেশি শয়তান হইয়া গেছস্। এত্ত খিদা লাগ্ছেনি তোর? দুনিয়ার সব খিদা কি তোর পেটে? দুরন্তের পেটে আলতো গুঁতো মারে সজীব। দুজনে হেঁটে চলে। পথে দেখা হয় জলিল মিয়ার সাথে। মধ্য বয়সী লোক। ভারী স্বাস্থ্য। মাথায় টুপি, মুখে দাড়ি, পরনে পাঞ্জাবি। প্রথম দেখাতেই মনে হতে পারে ফেরেশতাতুল্য লোক, ...আসলে একটা শয়তান। জলিল মিয়ার কাজ একটাই। কে কি করল? কেন করল? এর রহস্য জানা এবং সবাইকে জানানো।
কৈ যাও মিয়া?
দুরন্তরে নিয়া ক্ষেতে যাই। ঘাস খাওয়ামু।
এইডারে খাওয়াইয়া কি অইব? বেইচ্যা দেও, লাব অইব। কিছু ট্যাকাও পাইবা।
সজীবের মুখ মলিন হয়। কোনো প্রতিউত্তর করে না। ওরা এগিয়ে যায়।
সজীব দুরন্তকে নিয়ে জমিতে নামে। জমিটা আগাছায় সবুজ হয়ে আছে। দুরন্তের দড়ির খুঁটা মাটিতে পুঁতে দেয়। দুরন্ত আপন মনে ঘাস খেতে শুরু করে। সজীব দুরন্তকে আদর করে। ওর গলা জড়িয়ে ধরে।
Report incorrect information