Category:অনুবাদ উপন্যাস
‘ম্যানরফার্মের’ মালিক মি. জোনস মাতাল অবস্থায় মুরগির খাঁচার দরজা বন্ধ করলেন। কিন্তু পপ-হোলগুলো বন্ধ করতে ভুলে গেলেন, লণ্ঠন হাতে টলতে টলতে রান্নাঘরের মদের পিপে থেকে এক গ্লাস বিয়ার ঢেলে রওনা হলেন শোবার ঘরের দিকে। মিসেস জোনস তখন বিছানায় নাক ডাকাছিলেন।
শোবার ঘরের আলো নিভতেই সারা খামারজুড়ে শুরু হলো চিৎকার আর ডানা ঝাপটানোর শব্দ। কয়দিন আগে খামারের বুড়ো শুয়োর মেজর একটা স্বপ্ন দেখেছে। সে তার স্বপ্নের কথা জন্তুদের শোনাতে চায়। ঠিক হয়েছে, মি. জোনসকে কোনোমতে ফাঁকি দিতে পারলেই সবাই বার্নে সমবেত হবে। বুড়ো মেজরকে (এই নামেই সে সবার কাছে পরিচিত, কিন্তু সে প্রদর্শনীতে নামত উইলিংডন সুন্দরী নামে) সবাই শ্রদ্ধার চোখে দেখে। তাই রাতের এক ঘণ্টা ঘুম কামাই করে তার কথা শুনতে কেউ অমত করেনি।
বার্নের শেষ মাথায় উঁচুমত একটা প্ল্যাটফর্ম, তার ওপরে কাঠের বরগার সঙ্গে বাঁধা একটা লণ্ঠন। লণ্ঠনের নিচে খড় বিছিয়ে মেজরের জন্য বিছানা তৈরি হলো। মেজরের বয়স বারো, বয়সের সঙ্গে একটু মুটিয়ে গেছে দেহ। কিন্তু এখনো সে যথেষ্ট সুন্দরী, সব সময় চুপচাপ থাকে বলে বিজ্ঞ মনে হয় তাকে। জন্তুরা একে একে বার্নে জড়ো হতে শুরু করল। নিজ নিজ ভঙ্গিতে আরাম করে বসল সবাই। প্রথমে এল তিনটে কুকুরব্লুবেল, জেসি আর পিনশার। এরপর এল শুয়োরের দল, তারা দখল করল মেজরের সামনের খড় বিছানো জায়গা।
Report incorrect information