কাহিনি সংক্ষেপ :
নিস্তব্ধ একটা সাইকিয়াট্রি ওয়ার্ড, ২৪ ঘন্টাই তালাবদ্ধ থাকে, অদ্ভুত সব প্যাশেন্টরা ঘুরে বেড়ায় ওয়ার্ডের মধ্যে সারাদিন। এমনই এক ওয়ার্ডে ১২ ঘণ্টার নাইট রোটেশনে থাকতে হবে এমি ব্রেনারকে।
এমি ব্রেনার, সদ্য থার্ড ইয়ার মেডিকেল স্টুডেন্ট। থার্ড ইয়ারে উঠে বিভিন্ন ওয়ার্ডে ঘুরে ঘুরে রোগী দেখে দিনকাল ভালোই যাচ্ছিল তার। কিন্তু বিপত্তি বাঁধে যখন সাইকিয়াট্রি ইউনিটের এই ওয়ার্ড ডি তে রোটেশন পড়ে তার। এই ওয়ার্ড নিয়ে ছোটবেলার ভয়াবহ এক স্মৃতি আছে এমির মধ্যে, যে কারণে কখনো ভুলেও এই ওয়ার্ডের ছায়া মাড়াতে চায় না সে....।
ওয়ার্ডের প্যাশেন্টদের মধ্যে একজন প্যাশেন্ট এমির খুবই পরিচিত, কিন্তু দীর্ঘদিন পর তার সাথে দেখা হওয়ার পরে তার চোখের দৃষ্টি দেখে ভিতরটা কেঁপে উঠে এমির। মনে হয় কেউ যেন তার উপর প্রতিশোধ তোলার সমস্ত ছক কষে বসে আছে৷ শুধু তাই না, ওয়ার্ডের প্রতিটা প্যাশেন্টই যেন এমির সাথে অদ্ভুত রকমের আচরণ করতে থাকে। সবাই যেন ভয়ানক কোনো ঘটনার ঘটার অপেক্ষায় সময় পার করছে৷ এমির সাথে ডিউটিতে থাকা ডা.বেককে শুরুর দিকে খুব বিশ্বস্ত মনে হলেও কিছু সময়ের মধ্যেই ডা.বেককে নিয়েও সন্দেহের দানা বেঁধে উঠে এমির মনে। বিশাল এক নিস্তব্ধ নির্জন ওয়ার্ডে যেন এমি একা, আর সবাই যেন তার বিরুদ্ধে গভীর কোনো ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। কি হচ্ছে আসলে এই ওয়ার্ডে?
রাত যত এগোতে থাকে, ওয়ার্ড ডি তে পরিস্থিতিও তত যেন গোলমেলে হতে থাকে। এমির বুঝে যায় খুব শীঘ্রই ভয়ানক কিছু ঘটতে চলেছে এই তালাবদ্ধ ওয়ার্ডের ভিতর। কিছুক্ষণের ভেতরই হুট করে তার ব্যাচমেট আর প্যাশেন্টরা একে একে উধাও হয়ে যেতে থাকে৷ সেই সাথে পাওয়ার সাপ্লাইও অফ হয়ে যায় ওয়ার্ড ডি তে। বিভীষিকাময় অন্ধকার নেমে আসে ওয়ার্ডে। এই বিভীষিকার মধ্যেই তীব্র আর্তচিৎকার কানে আসে এমির। রক্তাক্ত অবস্থায় ওয়ার্ডের মধ্যে ছোটাছুটি করতে দেখে সে এক রোগীকে। শুনতে পায়, রোগীরা চিৎকার করে বলছে, কেউ নাকি আজকে ওয়ার্ডের সবাইকে একে একে খুন করবে! বুঝতে পারে, খুব ভয়ানক কিছু অপেক্ষা করছে সামনের রাতটায়..... বিভীষিকাময় এই রাতটা কি সার্ভাইভ করতে পারবে এমি?
বই : ওয়ার্ড ডি
লেখক : ফ্রিডা ম্যাকফ্যাডেন
অনুবাদক : রাইদ রাফসান
প্রকাশনী : নয়া উদ্যোগ
ছবি ক্রেডিট : অনুস্বর বুকশপ থেকে (Collected from Rayed Rafsan's Facebook profile)
Was this review helpful to you?
By Jawad Mahmud, Jan 14, 2025
Can you guys plase write the summary correctly. not getting what actually written there and what it means