১০% ইনস্ট্যান্ট ক্যাশব্যাক পুরো জানুয়ারি মাসজুড়ে বই ও পণ্যে বিকাশে মাত্র ৬০০৳+ পেমেন্টে সর্বোচ্চ ১০০৳ পর্যন্ত! পুরো ক্যাম্পেইনে ক্যাশব্যাক পাবেন ১৫০৳ পর্যন্ত!*
আরো দেখুন
১০% ইনস্ট্যান্ট ক্যাশব্যাক পুরো জানুয়ারি মাসজুড়ে বই ও পণ্যে বিকাশে মাত্র ৬০০৳+ পেমেন্টে সর্বোচ্চ ১০০৳ পর্যন্ত! পুরো ক্যাম্পেইনে ক্যাশব্যাক পাবেন ১৫০৳ পর্যন্ত!*
অনলাইন বাণিজ্য মেলায় আপনার পছন্দের পণ্যে ৭৫% পর্যন্ত ছাড়! বছরের শুরুতেই সেরা ডিল, রকমারি অনলাইন বাণিজ্য মেলা, ২০২৬
বাংলাদেশের সংবিধানের ১৬ অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে যে, নগর ও গ্রামাঞ্চলের জীবনমানের বৈষম্য ক্রমাগতভাবে দূর করার উদ্দেশ্যে কৃষি বিপ্লবের বিকাশ এবং শিক্ষা, যোগাযোগ ব্যবস্থা ও জনস্বাস্থ্যের উন্নয়নের মাধ্যমে গ্রামাঞ্চলের আমূল রূপান্তর সাধনের জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।’ রাষ্ট্রের এই দায়িত্ব সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের জন্য ওয়ার্ড বা গ্রাম পর্যায়ে স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা আবশ্যক।
অধ্যাপক H.J. Laski বলেছেন, ‘দেশের সব সমস্যাই জাতীয় সমস্যা নয়। স্থানীয় সমস্যা সমাধানের ভার স্থানীয় লোকজনের ওপর ন্যস্ত করা প্রয়োজন।’একটি জনকল্যাণমূলক রাষ্ট্র গঠনের ক্ষেত্রে যা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশে স্থানীয় সরকারের রূপরেখায় তিন স্তরবিশিষ্ট স্থানীয় সরকারের কথা বলা হয়েছে। যথা-১. জেলা পরিষদ, ২. উপজেলা পরিষদ, ৩. ইউনিয়ন পরিষদ। ইউনিয়ন পরিষদের ক্ষেত্রে বলা হয়েছে Union Parishad's (Made up of Nine Village). Nine Village's বলতে সম্ভবত ৯টি ওয়ার্ডকে বোঝানো হয়েছে। অতীতে ওয়ার্ডভিত্তিক ও গ্রামভিত্তিক প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার চেষ্টা হয়েছিল। তবে সাংবিধানিক স্বীকৃতির অভাবে এবং স্থানীয় সরকারের সঙ্গে দ্বন্দ্বের কারণে তা কার্যকর হয়নি। গ্রামের স্থানীয় প্রতিষ্ঠানকে স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব হলে তার সঙ্গে স্থানীয় প্রশাসনের দ্বন্দ্বের কোনো কারণ থাকবে না। একটির কাজ ‘স্থানীয় শাসন, অপরটির কাজ ‘স্বায়ত্তশাসনের ভিত্তিতে স্থানীয় উন্নয়ন। সাংবিধানিকভাবে গ্রাম পর্যায়ে স্থানীয় সরকারের স্তর (tier)-কে স্বীকৃতি দিলে তা স্বনির্ভর গ্রাম গড়ে তুলতে সহায়ক হবে।