"স্নাতক মাঝি " আসলে মোদ্দা কথা হচ্ছে মাঝি কখনো স্নাতক হয়না, কিন্তু স্নাতক শেষ করেও অনেকেও মাঝি গিরি ফলায়, মাঝি হয়ে যায়, আসলে এই মাঝি সেই নদীর মাঝি নয় । জীবন একটা নদী এখানে প্রত্যেকেই মাঝির ভূমিকায় অবতীর্ণ । মানুষের জীবন দোদুল্যমান সবসময় দুলতেই থাকে দুলতেই থাকে যৌবনের শুরুতে মানুষ প্রেমে পড়ে মায়ায় জড়ায় মানুষের হৃদয়ে ভালোবাসা জন্মায় একসময় ঠিকই সবার হৃদয়ে ভালোবাসা জন্মায় আবার যৌবনের মাঝ পথে সেই প্রেম, ভালোবাসা, মায়া এসব কিছুতে পোড় খেতে শুরু করে তখন অনেকে পথভ্রষ্ট হয় আবার অনেকে বাস্তবতা মেনে নিয়ে সময়ের সাথে তালমিলিয়ে চলতে থাকে দুই কূল সহ সামনের আগত বড় বড় ঝড় সামলে নিয়ে যারা চলে তারাই স্নাতক খেতাব পাই তারাই স্নাতক মাঝি ।
বইটিতে তিনটি অধ্যায় রয়েছে প্রথম অধ্যায় আমাদের যৌবনের শুরুতে আমরা যে আবেগে আটকে থাকি সেটা ফুটিয়ে তোলা হয়েছে, তারপর আমরা একসময় হাপিয়ে উঠি ভালোবাসার রংয়ে পোড়া লাগে তবুও তখনও আমরা প্রেমিকার জন্য অপেক্ষা করি এই বিষয়টা এই স্নাতক মাঝির দ্বিতীয় অধ্যায় পাঠের মাধ্যমে ভালোভাবে উপলব্দি করতে পারবেন সর্বশেষ তৃতীয় অধ্যায়ে খুজে পাবেন মানব জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বাস্তবতা। ভালোবাসার রংয়ে পোড়া লাগার পরে সবাই অতীতের সব দূরে ঠেলে মাঝি বাস্তব ধর্মী জীবনে ফির আসে সমাজ রাষ্ট স্বাধীনতা নিজের পরিবার পরিজন নিয়েই তাদের যত ভাবনা চিন্তা ।
__আসলে আমরা যৌবনের শুরুতে স্রোতে গা ভাসিয়ে দিই, মাঝ পথে বুঝতে পারি বহুদুর চলে এসেছি তবুও আমরা আরও একটু গা ভাসিয়ে দেই একসময় টনক নড়ে সব অতীত ভূলে আমরা স্রোতের প্রতিকূলে সাঁতার কাটতে থাকি ।