১০% ইনস্ট্যান্ট ক্যাশব্যাক পুরো জানুয়ারি মাসজুড়ে বই ও পণ্যে বিকাশে মাত্র ৬০০৳+ পেমেন্টে সর্বোচ্চ ১০০৳ পর্যন্ত! পুরো ক্যাম্পেইনে ক্যাশব্যাক পাবেন ১৫০৳ পর্যন্ত!*
আরো দেখুন
১০% ইনস্ট্যান্ট ক্যাশব্যাক পুরো জানুয়ারি মাসজুড়ে বই ও পণ্যে বিকাশে মাত্র ৬০০৳+ পেমেন্টে সর্বোচ্চ ১০০৳ পর্যন্ত! পুরো ক্যাম্পেইনে ক্যাশব্যাক পাবেন ১৫০৳ পর্যন্ত!*
অনলাইন বাণিজ্য মেলায় আপনার পছন্দের পণ্যে ৭৫% পর্যন্ত ছাড়! বছরের শুরুতেই সেরা ডিল, রকমারি অনলাইন বাণিজ্য মেলা, ২০২৬
১৯৫২’র ভাষা আন্দোলনের রক্তস্নাত পথ বেয়েই ১৯৭১ এ মহান মুক্তিযুদ্ধ এক সাগর রক্তের বিনিময়ে আমরা আমাদের প্রাণের দেশ বাংলাদেশ লাভ করেছি। প্রকৃত অর্থে যুক্তি ও বুদ্ধিবৃত্তির সমন্বয়ে অফুরন্ত আবেগের দিক থেকে মুক্তিযুদ্ধ তো ভাষা আন্দোলনেরই ফলশ্রুতি। বায়ান্নোর একুশে ফেব্রুয়ারি ঢাকায় ছাত্র-জনতার উপর অবাধে গুলি বর্ষণের ফলে রফিক, জব্বার, সালাম, বরকত, শফিউর, অহিউল্লাহ, আওয়ালসহ বেশ কজন অজ্ঞাত মানুষ শহীদ হন। এই খবর বারুদে দাবানলের মতো বাংলাদেশের সর্বত্র ছড়িয়ে যায়। এই প্রেক্ষিতে রাজশাহীর ছাত্র-জনতা খুনি নুরুল আমিনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে ফেটে পড়েন এবং দেশের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রাজশাহী কলেজের মুসলিম হোস্টেলের সামনে ২১শে ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাতেই ইট-কাদা দিয়ে রাতারাতি একটি শহীদ মিনার নির্মাণ করেন যা বাংলাদেশের প্রথম শহীদ মিনার বলে রাজশাহীর ভাষা সৈনিকগণ দাবী করেন। এছাড়াও সমগ্রদেশে ভাষা আন্দোলনের ইতিহাসে নেতৃত্বদানের ক্ষেত্রে ঢাকার পরই রাজশাহীর স্থান। দেশের শিক্ষা, সাহিত্য, সংস্কৃতি ও ক্রীড়াক্ষেত্রে রাজশাহীর ইতিহাস ও ঐতিহ্য অত্যন্ত সমৃদ্ধ। বিশেষত রাজশাহীতে ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস নানা কারণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যমণ্ডিত। বায়ান্নোর ভাষা আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী রাজশাহীর ভাষা সৈনিক মহসীন প্রামাণিক সর্বপ্রথম মিছিলে সেøাগান দেন ‘রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই’ ‘বাংলা ভাষার রাষ্ট্র চাই, তাদের সেই অমর সেøাগান আজ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার মধ্যে দিয়ে সত্যে পরিণত হয়েছে। বাঙালির ন্যায্য অধিকার আদায়ের বিষয় ভাষা আন্দোলনসহ এদেশে, প্রথম প্রগতিশীল ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন এবং একই সঙ্গে প্রথম সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক আন্দোলনও বটে। ভাষা আন্দোলনের গৌরবদীপ্ত ইতিহাস আজকের ও আগামী প্রজন্মের সামনে তুলে ধরার ক্ষেত্রে রাজশাহীর কতিপয় শ্রদ্ধেয় ভাষা সৈনিকের আন্তরিক সাহায্য ও সহযোগিতায় ১৯৯০ তে প্রথম ‘রাজশাহীতে ভাষা আন্দোলন’ নামে একটি স্মারকপত্র আমি সানন্দে প্রকাশ ও সম্পাদনার দায়িত্ব পালন করি। সেই সময় আমার পরম শুভার্থী ভাষা সৈনিক অধ্যাপক মুহাম্মদ একরামুল হক, ডাক্তার এস এম এ গাফফার, এ্যাডভোকেট মহসীন প্রামাণিক, বিচারপতি মোহাম্মদ আনসার আলী, ডাক্তার এম এ লতিফ প্রমুখ গ্রন্থটি প্রকাশের ক্ষেত্রে নানাভাবে আমাকে সাহায্য ও সহযোগিতা করেছিলেন। তাঁরা প্রত্যেকেই লোকান্তরিত হয়েছেন। আমি আজ কৃতজ্ঞচিত্তে তাঁদের বিশেষ অবদানের কথা স্মরণ করছি এবং তাঁদের অমর আত্মার, কল্যাণ কামনা করছি।