7 verified Rokomari customers added this product in their favourite lists
TK. 300TK. 210 You Save TK. 90 (30%)
জাহাজডুবিতে নিখোঁজ হওয়ার পর দূর্ভাগ্যক্রমে অজানা এক দ্বীপে এসে পৌঁছায় প্রেনডিক। আপাতদৃষ্টিতে স্বাভাবিক এই দ্বীপটার কোথায় যেন একটা খটকা। ধীরে ধীরে অবিশ্বাস্য কিছু বিষয় সামনে আসতে
মোটা দাগে সায়েন্স ফিকশন জনরার হলেও, সায়েন্স কিংবা ফিকশনের তুলনায় মানুষের নৈতিক দৈন্যতা আর ক্ষমতা খাটিয়ে যেনতেন ভাবে ঈশ্বর হয়ে ওঠার প্রবণতাই উপন্যাসটাকে বেশি মাত্রায় আকর্ষণীয় করে তুলেছে আমার কাছে। মানুষের ইতিহাস ঘাঁটলে দেখা যায় সে তার নিজস্ব প্রয়োজনে এমনকি অপ্রয়োজনে অথবা নিছক কৌতূহলের বশেও অন্য মানুষ বা প্রাণীর ক্ষতিসাধনে বিশেষ পারদর্শী এবং অন্যের ক্ষতি করে করে নিজের ধ্বংস ডেকে আনতেও তার জুড়ি মেলা ভার। এসব কাজে হাতিয়ার হিসাবে কখনো ধর্ম কখনো বিজ্ঞান কিংবা অন্য কোনো মহৎ আদর্শের চমকপ্রদ ব্যবহারে মানুষের যে অভাবনীয় দক্ষতা তার একটি শৈল্পিক সাক্ষী এইচ. জি. ওয়েলসের এই উপন্যাস।
লেখকের লেখার প্যাটার্ন অনুসরণ করেই অনুবাদ করেছে অনুবাদক, আমার কাছে অনুবাদের এই ব্যাপারটাই বেশি ভালো লাগে যেখানে মূল লেখকের লেখার স্বাদ কিছুটা হলেও অক্ষুণ্ণ থাকে।
সব শেষে একটা প্রশ্ন, মানুষ আর পশুর মাঝে মূল পার্থক্য আসলে কী? এই বই থেকে একটা জবাব পাওয়া যায়: “একটা পশু যথেষ্ট হিংস্র কিংবা চতুর হতে পারে, কিন্তু মিথ্যা বলার জন্য একজন মানুষেরই প্রয়োজন হয়।”
এই মিথ্যা বলার দক্ষতা হয়তো অনেকাংশে মানুষের কল্পনাকে উস্কে দিয়ে তাকে সৃষ্টিশীল করে তোলে।