যায় না লেখা হয় না লেখা যখন মনে চায় যেটা
থাকলে মনে ভাব দ্যোতনা তবেই লেখা যায় সেটা।
সব কুঁড়িতেই ফুল ফুটে না কিছু কুঁড়ি যায় ঝরে
সব লেখাই হয় না সফল কিছু লেখা রয় পরে।
কবির মনের সকল কথা কাব্যে কভু পায় না ঠাঁই
তাই বলে কি কবি বিফল এমন কথা ভাবতে নাই।
সমাজ সে তো দশে মিলে কবিতো তার বাইরে নয়
ভাবনা সবার একই রকম ছন্দ মিলেই কাব্য হয়।
লাঙল ফালে তোলা মাটি প্রতি কণা কবির কথা
সোনায় মোড়া খেতের ফসল পুরোটাই কাব্যগাঁথা।
কিষানি তার ঝুমুর তালে ধানের থেকে চিটা ঝাড়ে
নিবিড় ভাবে দেখলে ভেবে সেটাও কিন্তু কাব্যময়।
গাঁয়ে রাখাল বাজিয়ে বাঁশি উদাস করে ভাবুক মন
ছেলে বুড়ো পেছন ছুটে ছেড়ে সকল আপন জন।
নৌকা চালায় মাঝি যখন ভাটিয়ালি সুর সেধে
খালের পারে যায় ছুটে সব ছেলে বুড়ো দল বেঁধে।
কামার যখন হ্যামার চালায় সে শব্দটা কম কিসে
দেখুন ভেবে রেলগাড়িটা ছুটছে যেন সব পিষে।
কুমার বানায় মাটির পুতুল গাড়ি ঘোড়া সব কিছু
সকল কাজেই ছন্দ প্রচুর ছন্দ ছাড়া নেই কিছু।
তাই গেরাম্ থাকেন যারা সবার জীবন কাব্যময়
যে যার মতো রচেন কাব্য যদিও সবাই কবি নয়!