সাক্ষ্য মূলত একটি সামাজিক উপন্যাস। বাংলার মাটি, মানুষ এবং হাজার বছরের সংস্কৃতিকে উপজীব্য করে রচিত এই উপন্যাসটিতে চিত্রিত হয়েছে, পারিপার্শ্বিকতার স্রোতে গা না ভাসিয়ে বরং স্রোতের বিপরীতে হক্বের অনুসরণে জীবনের সংগ্রামী রূপ। দেখানো হয়েছে সমাজের নানাবিধ সমস্যা-সংকটকে চিহ্নিত করার পাশাপাশি এ থেকে উত্তরণ ও গঠনমূলক কাজের মাধ্যমে তা দূর করার আপ্রাণ চেষ্টা। আর এই কাজ যিনি করেন তিনি হলেন গ্রামের একজন অভিজাত নারী।
তিনি তার মেধা, সম্পদ ও আত্মবিশ্বাসকে কাজে লাগিয়ে এটি সম্ভব করেন। সভ্যতার জাগরণ কোনো ইউটোপিয়া বা অবাস্তব কল্পনা নয়, বরং মানুষের আন্তরিক প্রচেষ্টা, ধৈর্য্য এবং ছোট ছোট কুরবানির মাধ্যমে সেদিকে পৌঁছে যাওয়া সম্ভব। আপাতদৃষ্টিতে ব্যক্তির সৎ প্রচেষ্টা বিফল হয়েছে মনে হলেও, প্রচেষ্টা কখনো মূল্যহীন হয়ে যায় না— উপন্যাসের পরতে পরতে এই প্রত্যয়ই ব্যক্ত হয়েছে।
Report incorrect information