আমাদের গুণীজনেরা বেঁচে থাকতেই যেন আমরা তাদের প্রাপ্ত সম্মান এবং সম্মানী দিতে পারি।
আমাদের গুণীজনের গুণগুলো যেন তাদের চোখের সামনেই সম্মানিত করা হয়। মৃত্যুর পর আলোড়ন করার চেয়ে বেঁচে থাকা অবস্থাতেই যেন আলোড়িত হয়, তাঁর সৃষ্টিকর্মগুলো।
আমরা আমাদের পুরোনো অপসংস্কৃতির ধ্যান ধারণা থেকে বের হয়ে, নিজেদের স্বত্তা এবং নিজস্ব সংস্কৃতিকে বুকে লালন করে নিজস্ব আলোতে আলোকিত হতে পারি। পরের তরে যেন নিজেকে বন্দী না করে ফেলি অন্ধ শিকলে।
আমরা নিজেকে যেন মানুষ বলে দাবি করতে পারি- এই হোক প্রতায়।