Category:বয়স যখন ৮-১২: রূপকথা, উপকথা ও লোককাহিনী
অনেক দিন ধরে হরিণ ভাবছে একবার চশমার দোকানে যাবে। চশমাটা ওর সারানো দরকার। কিন্তু আর সময় করে উঠতে পারছে না কিছুতেই। কত যে কাজ পড়েছে তার ঠিক নেই। অর্জুন বনের ওপাশে ছোট খালটাতে রোজ সন্ধ্যেবেলায় সে গা ধুতে যেত। সেখানেও আর যেতে পারছে না। অথচ বনের অন্যান্য হরিণরা সবাইতো ঘুরে বেড়াচ্ছে খেয়ালখুশি মতো। আর সেই কেবল আটকা পড়ে গেছে কেয়া বনে মধু পাহারার কাজে।
যাহোক একদিন সময় হলো। টুনটুনি আর বেগুনফুলি বেড়াতে এসেছিল। তাদের বলাতে তারা রাজী হয়ে গেল। তারা বলল, হরিণ যতক্ষণ না আসে ততক্ষণ তারা পাহারা দেবে। তাই ওদের বসিয়ে রেখে হরিণ বেরুল শালবাজারের দিকে।
শালবাজারে নীল ভালুকের চশমার দোকান। চশমাটা নিয়ে হরিণ সোজা সেখানে চলে এল। নীল ভালুকের চোখে সোনার চশমা। হাতে সোনার ঘড়ি। দোকানে গিয়ে হরিণ চশমাটা বের করে দিল নীল ভালুকের হাতে। ভাল করে নেড়েচেড়ে দেখে ভালুক বলে: কাঁচ আর ফ্রেম দুটোই বদলাতে হবে। তা না হলে ও চশমা ঠিক করা যাবে না।
Report incorrect information