ফিলিস্তিন আজ শিশু শূন্য!
কেন?
শ্রীধর বাছাড় আকাশের দিকে তাকিয়ে চোখ বুজলেন। চারদিক তখন দিনেকানা পাখির লালচে-বাদামি রঙ ধারণ করেছে। ঠোঁটের নড়াচড়া করার মতো ঝরে পড়ছে রোদের টুকরোগুলো। শ্রীধর বাছাড়ের সান্নিধ্য ও পবিত্র কবোষ্ণ পরিবেশের গাঢ় স্পর্শে খেই হারিয়ে ফেলে ‘কী জানি কী বেরিয়ে আসবে’ এমন মনোভাব নিয়ে বাবার মুখের ওপর তাকিয়ে থাকে শ্রীনাথ।
‘সবই ড্রামার অংশ। যদি মুক্তি চাও, নতুন করে কর্মের হিসাব খোলা বন্ধ করো।’
ছেলের চোখের ভেতরে কথাগুলো বুনে দিলেন শ্রীধর বাছাড়। সুতপা এসে বাবার হাত ধরে।
শ্রীধর বাছাড়ের চোখ থেকে লালাশ্রু ঝরতে থাকে, দেশের জন্য কাঁদলে চোখ দিয়ে অশ্রুর বদলে রক্ত বের হয়। এটাও এক ধরনের যুদ্ধ কি না।
অজিত জোড়া শালিকের খোঁজে এগিয়ে যায়। দুই দেশে তার দুই পা। কোথাও দেখা যাচ্ছে না তাদের।
তবে কি মানুষের চেয়ে পাখিদের জন্মটান বেশি? অজিত দেখতে পায়, জমাট নীরন্ধ্র অন্ধকার ছড়িয়ে পড়ছে হুড়মুড়িয়ে।