বইটি বিদেশি সাপ্লাইয়ারের নিকট থেকে সংগ্রহ করতে ৩০-৪০ দিন সময় লাগবে।
যাঁর দাপটে মাহমুদ অফ গজনি কাশ্মীরের দিকে চোখ তুলে তাকাতে সাহস করেনি সেই লোহার বংশের মেয়ে মহারাণী দিদ্দাকে আজ আর কেউ মনে রাখেনি। কেউ মনে রাখেনি এই হিন্দু রাণীকে, যিনি একদিন রদ করেছিলেন সতীদাহ, গড়ে তুলেছিলেন মেয়েদের বিদ্যালয়। তাঁর বাসভূমি কাশ্মীর থেকে মুছে ফেলা হয়েছে তাঁরই কীর্তি। উল্টে শরীরে খুঁত নিয়ে জন্মাবার জন্য ইতিহাসবিদেরা দিদ্দাকে 'পিশাচিনী' আর 'রাক্ষসী' নামে ভূষিত করেছেন। কেন? লেখক সিদ্ধান্ত সেনের মনে প্রশ্ন জাগে। সে শ্রীনগরে এসে শুরু করে রাণীর খোঁজ। শংকরাচার্য মন্দিরের পুরোহিত জানায় একমাত্র পাতালবাগ গ্রামের অনুপম পণ্ডিত বলতে পারবেন মহারাণীর জীবনকাহিনী। কিন্তু এক ধাঁধার সমাধান করতে পারলে তবেই তিনি লেখককে শোনাবেন অবলুপ্ত সময়ের গল্প।
Report incorrect information