49 verified Rokomari customers added this product in their favourite lists
TK. 500TK. 359 You Save TK. 141 (28%)
কি খুঁজছ তুমি?
সায়ুরি কোমাচি নামের টোকিওয়ের সবচেয়ে রহস্যময়ী লাইব্রেরিয়ান এই প্রশ্নটি নিয়মিত জিজ্ঞেস করেন। অন্য সকল লাইব্রেরিয়ানের মতো, কোমাচিও তার শেলফে থাকা প্রত্যেকটা বই পড়ে
The translator should have put more effort on this book.
Was this review helpful to you?
By Abir Hasan, Aug 4, 2024
বইটা হতাশ করেছে। সালমান হকের অনুবাদ বলে মনেই হয়নি। অনুবাদের কোয়ালিটি পুওর। বানান আর কম্পোজে ভুল তো কিছু পরপরই। যেন বই বের করার জন্যই বের করেছে- বইটা পড়ে এমন ফিল পেয়েছি। মনে হয়েছে এআই দিয়ে অনুবাদ করেছে, কিন্তু সময়ের অভাবে পর্যাপ্ত এডিট ছাড়াই বই বের করে দিয়েছে... :D
Was this review helpful to you?
By Saeed Abdullah, Jun 14, 2024
বই- স্বপ্নপূরণ পাঠাগার।
লেখক- মিচিকো আয়োইয়ামা
অনুবাদঃ সালমান হক ও অর্নব কবির
প্রকাশকঃ গ্রন্থরাজ্য প্রকাশনী
এই বইটার আলোচনা করতে গেলে সেটা হয়তো অনেকেরই ভালো লাগবে না। এর কারণ এই বইয়ের অনুবাদ ও সম্পাদনায় বেশ সমস্যা ফিল করেছি। তবে, সেই ব্যাপারে একটু পরে বলছি। আপাতত, শুরু করছি বইয়ের কাহিনিটা শেয়ার করার মাধ্যমে।
উপন্যাসের প্লটটা খুব সুন্দর। এমন এক লাইব্রেরি বা পাঠাগার আছে, সেটার লাইবেরিয়ান সেখানে আসা সকল মানুষের স্বপ্ন পূরণ ক্রুতে সাহায্য করেন। কীভাবে করেন? উত্তরঃ বই পড়ার মাধ্যমে।
সায়ুরি কোমাচি নামের সেই লাইব্রেরিয়ানের মধ্যে আছে এক বিরল ক্ষমতা। লাইব্রেরিতে আসা প্রত্যেকের মন তিনি পড়ে ফেলতে পারেন। লাইব্রেরির দরজা দিয়ে কেউ ঢুকলেই তিনি বুঝে যান সদ্য প্রবেশ করা মানুষটির জীবনের সকল চাওয়া পাওয়া। জীবনের বিভিন্ন মোড়ে দাঁড়িয়ে থাকা নানান মানুষ লাইব্রেরিতে আসে। প্রত্যেকের সাথে কথা বলেন কোমাচি। এরপর তাদের নির্দিষ্ট কোনো বই পড়ার পরামর্শ দেন। সেই বই বদলে দেয় তাদের জীবন, দেখায় স্বপ্ন পূরণের পথ।
বইয়ের এই প্লটটা খুবই সুন্দর যেটা আমাদের মনে করিয়ে দেয় বই পড়ার প্রয়োজনীয়তার কথা। বই পড়ার মাধ্যমে অনেক মানুষই যে স্বপ্নপূরণ বা জীবনের লক্ষ্য পূরণের দিকে এগিয়ে যেতে পারে, মনে করিয়ে দেয় সেটিই।
কাহিনিতে গতি আছে, কাহিনি ভালো, যেটা সবাইকেই টানবে।
এবার অনুবাদের কথা আসি। এই বইটি পড়তে গিয়ে শুরু থেকেই মাঝেমাঝে আটকে যেতে হয়েছে। অনুবাদটা যেন কেমন লাগছিল। একটু খেয়াল করলেই বুঝতে পারলাম, শুরু থেকেই এর অনুবাদ ও সম্পাদনার সমস্যার কারণে এমন লাগছে। প্রচুর বানান ভুল বইয়ে, অনুবাদেও সমস্যা পেয়েছি অনেক জায়গায়। বিশ্বাস করতেই কষ্ট হয়েছে এটি সালমান হকের অনুবাদ বই। বইয়ের অনেক জায়গাতেই এরকম সমস্যার কারণে আটকে যেতে হয়েছে।
রেফারেন্স হিসেবে বইয়ের প্রথমদিকের কয়েকটা পেজের ছবি এখানে দিয়েছি। একজায়গায় ‘দিয়ে’ হয়ে গেছে ‘চিয়ে,’ ‘গোলাপি’ হয়ে গেছে ‘গোপাপি।‘ রঙ শব্দটা একবার লেখা হয়েছে রঙ, আরেকবার রং (শুদ্ধ আসলে রঙ), এর পরের পেজে ‘বেরিয়ে’ শব্দটাকে লেখা হয়েছে ‘বেড়িয়ে, (তাও একাধিকবার। এরকম সম্পাদনাগত সমস্যার কারণে, বানান ভুলের কারণে বইটা পড়তে গিয়ে মাঝেমাঝেই আটকে গেছি। আবার অনুবাদটাকেও ঠিক সাবলীল লাগেনি। যেমন, একজায়গায় লেখা হয়েছেঃ ‘ফুজিকি, ইদানিং বিরতিতে গিয়ে তুমি খুব দেরি করছ।‘ আমরা কি কারো সাথে কথা বলার সময় এভাবে বলি? এর বদলে কি ‘ব্রেক’ শবটা ব্যবহার করলে অনেক ইজি হতো না? এর পরে আবার লেখা হয়েছে ‘মাফ করবেন!” আমরা কি কথা বলার সময় এভাবে বলি? এরমানে সংলাপ অনুবাদে সাবলীলতা, অর্থবহতার অভাব ছিল যথেষ্টই। আবার, এর পরের পেজে ব্যবহার করা হয়েছে ‘ম্যাটম্যাটে’ শব্দটা! আচ্ছা ম্যাটম্যাটে শব্দের অর্থ কি সেটা বুঝতেই আমার পাঁচ মিনিট সময় লেগেছে, বই আর কী পড়ব? এরকম গুরুগম্ভীর অনুবাদ খুবই বিরক্তিকর লেগেছে।
এরকম সমস্যা বইয়ের পরের দিকের পেজগুলোতে একটু কমেছে, তবে তাও খুব একটা সন্তোষজনক ছিল না। মোটকথা, অনুবাদ ঠিক সাবলীল না হওয়ার কারণে এবং বানান ও সম্পাদনার ভুল প্রচুর থাকার কারণে বইটা পড়তে গিয়ে মোটেই স্বচ্ছন্দ্য বোধ করিনি।
এসব সমস্যা একপাশে সরিয়ে রেখে কেউ যদি বইটা পড়েন, তবে সুন্দর কাহিনির কারণে তার হয়তো বইটা খারাপ লাগবে না। আশা করি, এর পরের এডিশনে এসব সমস্যা প্রকাশনী থেকে ঠিক করা হবে এবং বইটা সবার কাছেই আরো উপভোগ্য হবে।
রেটি: ২/৫