* স্টক আউট হওয়ার আগেই অর্ডার করুন
রূপক রাতে ঘুমায় না; মুখোশ পরে বাড়িজুড়ে ঘোরাফেরা করে। ভাবে। প্রচুর ভাবে। একসময় সে ভাবনাগুলো প্রকাশ পায় পৃষ্ঠাজুড়ে। রচিত হয় উপন্যাস। প্রকাশ হয় বিচিত্র এক ছদ্মনামে। সে নাম - মার্লবরো র. হাসান। যার শখ, ফাঁসির দড়ি সংগ্রহ করা। জেলখানায় পরিচিত লোক আছে তার। আসামীরা যে রশিতে ঝুলে ফেলে শেষ নিঃশ্বাস, সে রশিই হাত ঘুরে শোভা পায় ওর স্টাডিতে। মালবরো র. হাসান ওরফে রূপক বশির মুর্তজার জীবনে একটা অদ্ভুত ঘটনা আছে। কয়েক প্ৰস্থ মোটা শেকলে প্যাচানো এক প্রাচীন আলমারি থেকে সে একবার এক নগ্ন নারীকে বের হতে দেখেছিলো। যার পরিচয় কখনও জানা যায়নি। কারণ; সে নারীর মাথা ঢাকা ছিলো একটা লাল বালতি দিয়ে। তবে তাতে চলাফেরায় কোন সমস্যা হয়নি তার। বরং সে রূপককে বানিয়ে খাইয়েছিলো ওর জীবনের শ্রেষ্ঠ চা!
এদিকে জহির আর কিসলুর জীবনে কোনো দিশা নেই। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার হয়েছে। মুরুব্বিদের দোয়ায় জেলও খেটেছে কয়েক মাস। ডিগ্রি নেই, তবুও চাকরি আছে; প্রচণ্ড যত্ন নিয়ে বানানো জাল সার্টিফিকেটের কল্যাণে। তবে এককালে ওদের জীবন এমন ছিলো না। তখন বসন্তের পাগলা বাতাস ওদেরও চুল এলোমেলো করে দিয়ে যেতো মরণোত্তর ম্যাটেরিয়েলিস্টিক বাস্তবতার আশ্বাস। সে সময় গভীর এক রাতে ওরাও দেখেছিলো তাকে। তবে সে নারী নয়, পুরুষ। পিঠ ভর্তি পশম। রোগা-পটকা শরীর। প্রবল ঝড়ের মাঝে হামাগুড়ি দিচ্ছিলো ছাদে। আর মাথা ঢাকা ছিলো একটা বড় লাল বালতি দিয়ে।
সম্পূর্ণ আলাদা মেরু থেকে আসা কিছু মানুষ এ ঘটনার কল্যাণে বন্দী হয় একই বৃত্তে।
ফলাফল - এক কাপ চা নয়, এক চাপ কা!
Report incorrect information