2 verified Rokomari customers added this product in their favourite lists
TK. 113
"কুসুমপুরে বিভীষিকা" বইয়ের কভারে লেখা: মিতুর পা যেন মাটির সাথে আটকে গেছে। নড়তে পারছে না। ভয়ে আড়ষ্ঠ হয়ে পড়েছে। ওর পেছনে তখন সুড়ঙ্গ থেকে বের হয়ে আসা আরও তিনজন এসে দা
কাহিনী সংক্ষেপ:
সরকারি কর্মকর্তা হাসনাত জামিল সাহেব বদলি হয়ে এলেন কুসুমপুরে। সাথে এলো তার মা মরা মেয়ে বিনু। বিনু ভর্তি হলো কুসুমপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে। স্কুলে গিয়ে প্রথমদিনেই বিনু বুঝতে পারলো স্কুলের ছাত্রছাত্রীরা দুই দলে বিভক্ত। এক দল অন্য দলের কারো সাথে কথা বলে না। বুদ্ধিমতী বিনু এগিয়ে এলো সকলের মাঝে বন্ধুত্বকে আবার জাগিয়ে তুলতে। কিন্তু হুট করেই ঘটনা মোড় নিলো অন্যদিকে। স্কুলের পেছনের জঙ্গলে রোজ যাতায়াত করা শুরু করেছে কিছু রহস্যজনক লোক। বিনুদের জন্য বরাদ্দ হওয়া ব্রিটিশ বাংলো বাড়ির আশেপাশে রাত বিরেতে ঘুরে বেড়াচ্ছে কেউ। বাড়ির পুরনো চাকর রহমত বিনুকে শোনায় এই ব্রিটিশ বাড়ির পুরনো গল্প। কাকে বারবার নিমকহারাম বল রহমত দাদু? বিনুর হাতে উঠে আসে শত বছরের পুরনো একটা ডায়েরি আর ম্যাপ যা তাকে টেনে নিয়ে যায় ১৯৪০-৪১ সালের পুরনো এক গল্পে। বিভীষিকা গ্রাস করে কুসুমপুর গ্রামটিকে।
পাঠ প্রতিক্রিয়া:
বেশ অনেকদিন পর একটা কিশোর উপন্যাস পড়লাম। তাতে আবার কিছুটা অ্যাডভেঞ্চারের গন্ধমেশা। পুরনো দিনের কথা মনে পরে গেলো, যখন আমি নিজেই স্কুলে পড়তাম। ছোটদের এই ধরনের উপন্যাসগুলো যেমন মজাদার হয় এটাও ঠিক তেমনি। উপন্যাসের প্লট, চরিত্র সবকিছুই বেশ সুন্দর, ছিমছাম। কিছুটা মিস্ট্রি, কিছুটা হিস্ট্রি মিলে বেশ মজার একটা উপন্যাস। উপন্যাসের প্রধান চরিত্র বিনুকে ভীষন বুদ্ধিদীপ্ত এবং সাহসী এক চরিত্রে উপস্থাপন করেছেন লেখক। সাথে সমভাবে মূল্যায়ন করেছেন উপন্যাসের অন্যান্য চরিত্রগুলোকেও। বর্ণনার ভাষা সহজ সাবলীল। উপন্যাসের প্লটেও অতিরিক্ত কোনো বাড়াবাড়ি নেই। সবকিছু মিলিয়ে কিশোর পাঠকের জন্য দারুন একটা বই মাসুদুল হাসান শাওনের উপন্যাস "কুসুমপুরে বিভীষিকা"।