46 verified Rokomari customers added this product in their favourite lists
TK. 338
"মুক্তিযু্দ্ধ সত্যের মুখোমুখি" বইয়ের ফ্ল্যাপের লেখা:
আমাদের জাতীয় জীবনের মহত্তম অর্জন স্বাধীনতা। এই স্বাধীনতা এসেছে রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে। আর মুক্তিযুদ্ধ
সামনে কবর খোঁড়া হচ্ছে।
যাকে কবরস্থ করা হবে তিনি দাঁড়িয়ে আছেন কবরের সামনে।
কবরে শায়িত করার পূর্বে জীবন্মৃত মানুষটি কথা বলতে দাঁড়িয়ে গেলেন।
উপস্থিত সবাই বিমূঢ়! বিস্ময়ে তার দিকে তাকিয়ে আছেন। দেখছেন মানুষটির শান্ত, সমাহিত চেহারা। কোনো হতাশা নেই। ক্রোধ নেই। সৌম্যকান্তি।
গণপরিষদের স্পিকার তাকিয়ে আছেন। তিনি বিম্বিত। যেন বিমূঢ়!
তাকে বিনীত সম্বোধন করে সেই ব্যক্তিটি বলেন, "স্যার, এই জীবনে অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার সময় কেউ উপস্থিত থেকে বক্তব্য দেয়ার এবং শেষকৃত্যে অংশ নেয়ার সুযোগ পায় না। আমার জীবনে এ এক অপূর্ব সুযোগ এসেছে যেখানে আমি এই পার্লামেন্টে দাঁড়িয়ে সেই শেষকৃত্যে অংশগ্রহণ করছি। একটু পরেই যাকে এই পার্লামেন্টে কবরস্থ করা হবে। এরকম দাঁড়িয়ে কিছু বলার সৌভাগ্য আজও কারো হয়নি। সম্ভবত এই পার্লামেন্টে এটাই আমার শেষ কথা হবে।
মাননীয় স্পিকার মহোদয়, আজ যে আইন সংশোধন হতে যাচ্ছে সাধারণ মানুষ সহজেই তার তাৎপর্য অনুধাবন করতে পারবে। কিন্তু পাকিস্তান সরকার যে সংশোধনটি করতে যাচ্ছে তার মাধ্যমে প্রমাণ হয় তাদের শিক্ষা ও ইতিহাস জ্ঞানের কত বড় অভাব রয়েছে এবং এটা করা হচ্ছে একজন মাত্র ব্যক্তিকে সামনে রেখে। তাকে যেভাবেই হোক এই পার্লামেন্ট থেকে সরিয়ে দেয়ার জন্য। আয়োজন দেখে মনে হচ্ছে এই ব্যাক্তিটিকে জ্যান্ত সমাহিত করার জন্য।......
* শেখ মুজিব কি সত্যিই স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন?
* রণাঙ্গনে সরাসরি যুদ্ধ না করেও কারা 'বীরউত্তম' খেতাব পেয়েছিলেন?
* মুক্তিবাহিনী ও মুজিববাহিনীর মধ্যে কী নিয়ে দ্বন্দ্ব ছিল?
* মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী জনপ্রতিনিধিরা কেন উপেক্ষিত হলেন?
* '৭০-এর নির্বাচনে আওয়ামী লীগ জিতুক, জিয়া কেন চাননি?
এরকম অনেক প্রশের মুখোমুখি দাঁড় করাবে যে বই-
রাজনীতিবিদ, সাবেক মন্ত্রী অধ্যাপক আবু সাইয়িদ-এর নতুন বই
"মুক্তিযুদ্ধ: সত্যের মুখোমুখি"