বাংলাদেশে লিচু আম ও কুলের চাষ
- ড. মোঃ আনিছুর রহমান
মুকুল আসার অন্তত দুই থেকে তিন মাস আগে লিচু বা আম বাগানে সার প্রয়োগ, চাষ দেওয়া, জলসেচ দেওয়া বন্ধ করে দিতে হবে। এই সময় কোনও ভাবে গাছকে বিরক্ত করা যাবে না। কারণ পরিচর্যার জেরে গাছে নতুন শাখা-প্রশাখা তৈরি হলে মুকুল আসার সম্ভাবনা কমে যায়। এই গাছগুলিতে পুরনো শাখায় ফুল আসে। যে সব শাখা বসন্ত বা গ্রীষ্মে জন্মায়, তাতে পরের বছর মাঘ-ফাল্গুন মাসে ফুল আসে।তবে, ফুল আসার আগে কিছু রোগপোকার আক্রমণ হলে মুকুল প্রস্ফুটিত হতে পারে না। এই সময় রোগপোকার নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি।অনেক সময় কুয়াশার জন্য আম-লিচুর মুকুলে কালো ক্ষতের সৃষ্টি হয়। এর জন্য ট্রাইকোডার্মা ভিরিডি ৫ গ্রাম প্রতি লিটার জলে গুলে স্প্রে করতে হবে। এর সঙ্গে কোনও রাসায়নিক কীটনাশক ব্যবহার করা যাবে না। এছাড়াও ম্যানকোজেব ৭৫.৫ ডব্লুপি ২-২.৫ গ্রাম বা থায়োফেনেট মিথাইল ৭০% ডব্লুপি ১ গ্রাম প্রতি লিটার জলে গুলে স্প্রে করতে হবে।বইটিতে রয়েছে- লিচুর পুষ্টিমান ও ঔষধিগুন, লিচুর জাত পরিচিতি, লিচু চাষের পরিবেশ , লিচু বংশ বিস্তার, লিচুর চারা রোপন, লিচু চাষে সার প্রয়োগ, লিচু গাছের পরিচর্যা, লিচুর রোগ ও পোকা দমন, লিচুর ফল সংগ্রহ , সংরক্ষণ ও ফলন, লিচু চাষে সমস্যা ও সমাধান, আমের পুষ্টি ও ভেষজগুন, আমের জাত পরিচিতি, ছাদের বাগানে আমের চারা রোপন ,আমের চারা তৈরি, আমের চাষ, কুলের পরিচিতি, কুলের ব্যবহার ও পুষ্টিগুন, কুল চাষে সার প্রয়োগ, কুলের রোগ দমন, কুলের পোকা দমন, কুল সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও ফলন ইত্যাদি।