20 verified Rokomari customers added this product in their favourite lists
TK. 200TK. 179 You Save TK. 21 (11%)
বিভিন্ন ধরনের পশু গৃহে পালন করা হয়ে থাকে, যেমন- গরু, মহিষ, ছাগল, ভেড়া, শুকর, গাধা, উট, ঘোড়া, কুকুর, বিড়াল, খরগোশ ইতাদি। এ সকল প্রাণি গৃহে পালন করা হয় বলে এদেরকে গৃহপালিত পশু বলা হয়
ড. মোঃ আনিছুর রহমানের লেখা ‘আধুনিক পদ্ধতিতে পশু পালন চিকিৎসা ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা’। কৃষিনির্ভর বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে প্রাণিসম্পদ সাব-সেক্টরের উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রয়েছে। অনাদিকাল থেকেই এদেশের মানুষ তাদের জীবন-জীবিকার তাগিদে গবাদিপশু-পাঁখি লালন পালনে সম্পৃক্ত রয়েছে। জিডিপি’তে প্রাণিসম্পদ খাতের অবদান ২.৫%। এই উপখাত থেকে মানব দেহের জন্য অত্যাবশ্যকীয় খাদ্য উপাদান প্রাণিজ আমিষ (দুধ, মাংস ও ডিম) উৎপাদিত হয়। প্রাণিজ আমিষের প্রায় ৫০% প্রাণিসম্পদ সাব-সেক্টরে থেকে আসে। আমাদের জনসংখ্যার প্রায় ২২% সরাসরি এবং ৫০% পরোক্ষভাবে প্রাণিসম্পদ খাতের উপর নির্ভরশীল। সহস্রাব্দের উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার উল্লেখযোগ্য লক্ষ্য দারিদ্র বিমোচন, নারী-পুরুষে সমতা এবং নারীর ক্ষমতায়ন প্রাণিসম্পদ খাতের সাথে সম্পর্কযুক্ত। তাই বর্তমান সরকার এ খাতের উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেছেন। এই উপখাতের সাথে সংশ্লিষ্ট মানুষ গতানুগতিক পদ্ধতিতে গবাদিপশু-পাঁখি লালন পালনে অভ্যস্ত, যদিও এ কর্মকান্ডসমূহের অধিকাংশই প্রযুক্তি নির্ভর। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর গবাদিপশু-পাখি পালনে উন্নত প্রযুক্তি উদ্বাবন, এর ব্যবহার ও সম্প্রসারণ, খামারিদের সচেতনতা বৃদ্ধি, খামারের জীব নিরাপত্তার উন্নয়ন, রোগ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ, মার্কেট চেইন উন্নয়ন, উন্নত ঘাস চাষ, উন্নত জাতের সিমেন ব্যবহার করে গবাদিপশুর জাত উন্নয়নসহ নানাবিধ কর্মকান্ড বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে গবাদিপশু-পাঁখি লালন পালনে উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারে খামারিদের মাঝে আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে যা দেশে দুধ, মাংস ও ডিম উৎপাদনে প্রতিফলিত হয়েছে। লেখক ড. মোঃ আনিছুর রহমান দীর্ঘ সাড়ে আট বছর কলেজে কৃষি শিক্ষা বিভাগে প্রভাষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। শিক্ষকতা পেশায় কর্মরত থাকা অবস্থায়ই তিনি কৃষি বিষয়ক বিভিন্ন লেখালেখিতে জড়িত ছিলেন। তিনি পরবতীতে বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করেন এবং একই বছর নভেম্বর মাসে প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা পদে উন্নত হন। তার প্রকাশিত গবেষনাপত্রসহ মোট সায়েন্টিফিক প্রবন্ধের সংখ্যা ৩৫টি।