শিবনাথবাবু একটি স্কুলের শিক্ষক। স্কুল বসে দুপুরে। একই স্কুলের বালিকা বিভাগের প্রধান শিক্ষিকা মঞ্জরী। তাঁর স্কুল শুরু হয় সকাল সাড়ে ছ’টায়। বিবাহিত জীবনে চূড়ান্ত অসফল মঞ্জরী এখন স্বামীহীনা। শিবনাথ-ও বিপত্নীক। ছেলেদের বিভাগ এবং মেয়েদের বিভাগ প্রতি বছর একইসঙ্গে রবীন্দ্রজয়ন্তী পালন করে সেই বিদ্যালয়ে। বছরে একবার করে সেই অনুষ্ঠানে প্রৌঢ় সৌম্য শিবনাথ দুটি করে রবীন্দ্রসংগীত শোনান। মঞ্জরী নিজের অজান্তেই কবে থেকে যেন বছরের সেই দিনটির জন্য অপেক্ষা করতে থাকেন। স্কুলে যাওয়া-আসার পথেও দু’জনের হঠাৎ-হঠাৎ দেখা হয়ে যায়। মঞ্জরীর অনুরোধে শিবনাথ আসতে শুরু করেন মঞ্জরীর বাড়ি গান শোনাতে। শিবনাথকে মেনে নেয় না মঞ্জরীর প্রাপ্তবয়স্ক পুত্র শেখর। মঞ্জরীর সন্তানের প্রবল বাধার সামনে শিবনাথ আর আসতে চান না মঞ্জরীর বাড়ি। মঞ্জরী কী করেন? দুই নর-নারী, যাঁরা যৌবন পিছনে ফেলে এসেছেন অনেকদিন, কেমন হয় তাঁদের সান্ধ্য-সংলাপ? কোথায় পৌঁছয় এই কাহিনি?