9 verified Rokomari customers added this product in their favourite lists
TK. 500TK. 449 You Save TK. 51 (10%)
এই উপন্যাসের প্রধান চরিত্র রেজাউল একজন মানুষ সংগ্রাহক। তার সংগ্রহে আছে ডাকাত দলের সর্দার, বেশ্যার দালাল, স্মাগলার, কন্ট্র্যাক্ট কিলার, ড্রাগ ডিলার, মানবপাচারকারী, কথাসাহিত্যিক, কবি
হাতের বইটা শেষ করলাম, ২০৭ পেইজের বই শেষ করতে ৫ দিন লেগে গেল। অথচ এইরকম বই আমি ২/৩ দিনেই শেষ করতাম আগে। বয়স বেড়ে যাচ্ছে প্রতিনিয়ত, সারাদিন অফিস করে আসার পর শরীর আর আগের মতো সায় দেয় না। আমিও উপন্যাসের নায়কের মতো পিছুটান বিহীন জীবন চাইতাম, কিন্তু সময় আর বাস্তবতার কাছে হার মেনে বয়সের কাছে পরাস্ত হয়ে এখন আরাম খুঁজে ফিরি।
এই এক অন্য রকম অনুভূতি, অন্য রকম উপন্যাস "বুনো ওল" মাহবুব মোর্শেদ এর লেখা ফেসবুকে নিয়মিত পড়তাম, উনার বই পড়া হয়নি আগে, এই প্রথম উনার বইটা পড়ে নিলাম। বাতিঘর অনেক যত্ন নিয়ে বইটা নির্মাণ করেছে, প্রচ্ছদটা একদম গল্পের পটের সাথে রিলেট করতে পারছিলাম।
মানুষের জীবনের গল্প মূলত দু:খের গল্প। মানুষ অনেক কিছু হারাতে হারাতে অবশেষে এটা ফাইন্ড আউট করে। এটা খুঁজে বের করতেই তো মাঝ রাতে সিদ্ধার্থকে ঘর ছাড়তে হইছিল।
তলস্তয় যেমন বলেছিল, "প্রতিটা সুখী পরিবার একইরকম, কিন্তু প্রত্যেকটা দুখী পরিবার নিজেদের মত ভিন্ন-ভিন্নভাবে দুখী।" সুখের একটা দরজা বন্ধ হয়ে গেলে নাকি অন্য আরেকটা দরজা খুলে যায়। কিন্তু মানবচরিত্র সেই খোলা দরজাটার সন্ধান পায় না।
কিছু মানুষ থাকেই এমন, ছন্নছাড়া জীবনের ভারী কাঁধকে হালকা করে সবচেয়ে দীর্ঘ পথও শেষ করে ফেলে। সবাই যখন সুখের বৃষ্টি খুঁজে, কেউ কেউ নিজের বুকেই সমুদ্র ঘুরে বেড়ায়। মৃত্যুর মতো দুঃখ কিন্তু মানবজীবনের পিছু ছাড়ে না, এটা অবধারিত।
এজন্য যে ভিনসেণ্ট ভ্যানগগ বদ্দা বলছিল, "দু:খ চিরস্থায়ী"