প্রথম শ্রেণি থেকে ন্যূনতম দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত এবং পর্যায়ক্রমে স্নাতক বা স্নাতকোত্তর পর্যন্ত‘মুজিবপাঠ’শিরোনামে ৫০ কিংবা ১০০ নম্বরের পরীক্ষার মাধ্যমে স্বতন্ত্র বিষয় পাঠ্যক্রমে অন্তর্ভুক্তি এখন কেবল প্রয়োজন নয়, বরং তা সময়ের দাবী; যা অস্বীকার করার সুযোগ আমাদের নেই। সবশেষে কেবল একটাই চাওয়া-বাঙালি জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রেই স্বীয় অবদানে জাতির পিতা শেখ মুজিব হয়ে উঠেছেন আমাদের স্বাধীন বাংলাদেশের আলোকিত উৎসের বহমান ফল্গুধারা। তাই অদৃশ্য আঁধারের ঘেরাটোপ থেকে বেরিয়ে এসেÑ‘মুজিবপাঠ’নামক সেই উৎসের আলোয় আলোকিত হোক প্রজন্ম। সেই সঙ্গে শোষণমুক্ত সমৃদ্ধির উল্লেখযোগ্য সাফল্যের পরিণত প্রচেষ্টায় হোক যাত্রাবিরতির পুনর্গঠন। ঐক্যবদ্ধ দখলের নীতিমালা বুকে নিয়ে এ-ও বলছি-‘মুজিবপাঠ’ থাকুক স্কুলে-কলেজে, মননে-সৃজনে, ত্যাগে-প্রতীক্ষায়, জ্ঞানে-ভালোবাসায়।