টিজ করার অপরাধে ছোটনের কোনো শাস্তি হলো না, টিজ হওয়ার অপরাধে প্রায়শ্চিত্ত হলো নদীর, লেখাপড়া শিখে বড় হওয়ার স্বপ্নটা ভেঙে চুরমার হলো। বিধবা মা মান-সম্মানের ভয়ে নদীকে বিয়ে দিল।
নদীর জীবনে শুরু হলো নতুন সংগ্রাম। স্বামী হাজতে, ননদের বিয়ে হওয়ার পর শ্বশুরবাড়িতে সে আর তার বিধবা শাশুড়ি, বাবার বাড়িতে মা আর ভাইয়ের আবার বিয়ে করে নতুন সংসার করার চাপ। রাস্তায় বেরুলে ছোটনের অত্যাচার। সবকিছু মিলিয়ে নদীর বেঁচে থাকাই যখন কঠিন হলো তখন সে সিদ্ধান্ত নিল ঢাকা যাবে, স্বামীর কাছাকাছি থাকবে, চাকরি করবে, সপ্তাহে একদিন হলেও মাসুদকে দেখতে যাবে কাশিমপুর কারাগারে।
নদীর চাকরি হলো কিন্তু এখানেও প্রতিদিন তাকে মুখোমুখি হতে হলো ভদ্রবেশি অনেক ছোটনের। তবুও নদী মাসুদের জন্য অপেক্ষা করতে চায় অনন্তকাল। হয়তো এই অপেক্ষার দিন শেষ হবে, মাসুদ কারাগার থেকে বেরিয়ে আসবে নদীর প্রতি মাসুদের সন্দেহ আর অবিশ্বাস নিয়ে। তারপর...