১০% ইনস্ট্যান্ট ক্যাশব্যাক পুরো জানুয়ারি মাসজুড়ে বই ও পণ্যে বিকাশে মাত্র ৬০০৳+ পেমেন্টে সর্বোচ্চ ১০০৳ পর্যন্ত! পুরো ক্যাম্পেইনে ক্যাশব্যাক পাবেন ১৫০৳ পর্যন্ত!*
আরো দেখুন
১০% ইনস্ট্যান্ট ক্যাশব্যাক পুরো জানুয়ারি মাসজুড়ে বই ও পণ্যে বিকাশে মাত্র ৬০০৳+ পেমেন্টে সর্বোচ্চ ১০০৳ পর্যন্ত! পুরো ক্যাম্পেইনে ক্যাশব্যাক পাবেন ১৫০৳ পর্যন্ত!*
অনলাইন বাণিজ্য মেলায় আপনার পছন্দের পণ্যে ৭৫% পর্যন্ত ছাড়! বছরের শুরুতেই সেরা ডিল, রকমারি অনলাইন বাণিজ্য মেলা, ২০২৬
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বছরের পর বছর ধরে কম্পিউটার প্রোগ্রামে ব্যবহার করা হয়েছে, কিন্তু এখন এটি অন্যান্য অনেক পণ্য এবং পরিষেবাতে প্রয়োগ করা হয়। উদাহরণস্বরূপ, কিছু ডিজিটাল ক্যামেরা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সফ্টওয়্যার ব্যবহার করে একটি ছবিতে কোন বস্তু উপস্থিত রয়েছে তা নির্ধারণ করতে পারে। এছাড়াও, বিশেষজ্ঞরা স্মার্ট ইলেকট্রিক গ্রিড সহ ভবিষ্যতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জন্য আরও অনেক উদ্ভাবনী ব্যবহারের আভাস দিয়েছেন। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বাজার ইতিমধ্যেই বড় এবং দ্রুত ক্রমবর্ধমান হয়ে উঠেছে। ভবিষ্যতে AI অর্থনীতির প্রতিটি ক্ষেত্রে ছড়িয়ে পড়বে, বর্তমানেও কিছুটা ছড়িয়ে পড়েছে। এ.আই এবং মেশিন লার্নিং কোম্পানিতে বিনিয়োগ নাটকীয়ভাবে বেড়েছে এবং একটি মৌলিক উপাদান হয়ে উঠছে। স্পষ্টতই, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভবিষ্যত খুবই সুদৃঢ় হচ্ছে। এই প্রযুক্তিগুলির সম্ভাব্য প্রভাব ব্যাপক এবং গভীর। আজকের মিডিয়া এ.আই-কে অনেক উপায়ে প্রতিনিধিত্ব করে। এ.আই ক্যান্সার নিরাময় এবং আমাদের জীবনকে সহজ করে তোলার বহু প্রশংসিত সম্ভাবনার একটি। যদিও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভবিষ্যত কীভাবে কার্যকর হবে এবং সামাজিক প্রভাব সম্পর্কে স্পষ্টতই বৈধ উদ্বেগ রয়েছে, বাস্তবতা হল যে প্রযুক্তিটি বর্তমানে সমস্ত শিল্প জুড়ে কোম্পানিগুলিতে ব্যবহৃত হয়। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিকাশের জন্য গত ১০০ বছরের প্রচেষ্টায় বেশ কিছু হোঁচট খাওয়া সত্ত্বেও, ভবিষ্যত এখন উজ্জ্বল। এ.আই সর্বত্র ব্যবহৃত হয়। যেমন: ইন্টারনেট অফ থিংস, হোম ডিভাইস, বাণিজ্যিক ও শিল্প রোবট, স্বায়ত্তশাসিত যানবাহন, ড্রোন এবং ডিজিটাল সহকারী ইত্যাদি। কথোপকথন পরিষেবাগুলি (যেমন: চ্যাটবট এবং ভার্চুয়াল এজেন্ট) বর্তমানে প্রস্ফুটিত হচ্ছে ব্যাপক ভাবে। এ.আই এর এই বিশাল প্রভাব সমাজের সকল স্তরের মানুষের কাছে সহজবোধ্য করে তোলার লক্ষে- আমি উদ্বুদ্ধ হয়ে হেল্পিং সোর্স-এর বিভিন্ন তথ্য উপাত্তের যাচাই বাছাই সহ পরীক্ষা নিরীক্ষা পর্যবেক্ষণ লব্দ জ্ঞানই আমার এই লেখনীর ক্ষুদ্র প্রয়াস। এই বইটিতে যে বিষয়গুলোকে সম্বোধন করব সে গুলো হচ্ছে এ.আই এর কয়েকটি আলোচনা মাত্র। প্রাকৃতিক ভাষা বোঝা থেকে কম্পিউটারের দৃষ্টিভঙ্গি পর্যন্ত, এই বইটি আপনাকে এ.আই আরও ভালভাবে বোঝার জন্য সরঞ্জাম এবং কৌশলগুলির একটি উচ্চ-স্তরের ভূমিকা রাখবে। বইটি এ.আই সম্পর্কে আরও শিখতে এবং এ.আই বাস্তবায়ন করে এমন অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করার জন্য আপনার অগ্রযাত্রার একটি সূচনা পয়েন্ট হিসাবে উপবিষ্ট হবে। এই লেখার কাজে আমাকে বিশেষ ভাবে উদ্বুদ্ধ করার জন্য রূপ প্রকাশ প্রতিষ্ঠানকে অশেষ ধন্যবাদ। এই বইতে কোন ভুল ত্রুটি থাকলে তা আমাদের দৃষ্টি গোচর করার জন্য সকলের কাছে অনুরোধ রইল- যাতে আমরা পরবর্তীতে সংশোধন সহ নতুন মাত্রা যোগ করতে পারি।
এম. এ করিম মজুমদার- তিনি পেশাগত জীবনে একজন সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার, সফটওয়্যার কনসালটেন্ট এবং সফটওয়্যার আর্কিটেক্ট। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রী নিয়ে তিনি দেশী-বিদেশী কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স-এর বিভিন্ন শাখা-প্রশাখায় বেশ কিছু সফটওয়্যার নির্মাণ করেছেন। সফটওয়্যার নির্মাণের প্রশিক্ষণ প্রদানেও তাঁর বেশ সুনাম ও দক্ষতা রয়েছে। বিভিন্ন ধরণের সফটওয়্যার নির্মাণে তিনি সুদীর্ঘ পথ অতিক্রম করেছেন। তিনি ১৯৮৮ সালে ফেনী জেলায় জন্ম গ্রহণ করেন এবং বর্তমানে ঢাকায় বসবাস করেন। তাঁর কর্ম পরিধি সম্পর্কে এই ওয়েব সাইটে (www.jingokit.com) কিছু তথ্য পাওয়া যাবে।