বইটি আমার পূর্ণাঙ্গ কোনো গবেষণাকর্ম নয়। ঐতিহ্যবাহী সুপ্রাচীন একটি মন্দিরের প্রতিষ্ঠার পর থেকে বর্তমান পর্যায় পর্যন্ত এর আদ্যপান্ত এবং ইতিহাস নির্ভর তথ্যাদি স্বল্প পরিসরে তুলে ধরার একটি প্রয়াস মাত্র। যা পাঠকের কৌতূহলী মনের খোরাক কিছুটা হলেও মেটাতে পারবে বলেই আমার বিশ্বাস।
অদূর ভবিষ্যতে কোনো ঐতিহাসিক বা গবেষক ঢাকেশ্বরী মন্দির নিয়ে আরও বিস্তারিত গবেষণার দায়িত্ত নিলে বিষটি পূর্ণাঙ্গ রূপ পাবে, তেমনটাই প্রত্যাশা করিছি।