ডা.আতিয়ার রহমানের জন্ম গোপালগঞ্জ জেলার মুকসুদপুর উপজেলায়, ঢাকপাড় গ্রামে। বাবা- আব্দুস সাত্তার, মা- হামিদা বেগম। তিনি পেশায় একজন হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক। সহধর্মিণী মিসেস রেখা বেগম এবং তিন সন্তান নিয়ে তাঁর সংসার। বড় সন্তান- মাহমুদা ইয়াসমিন ডলি সমাজ বিজ্ঞানে মাস্টার্স, মেঝো- আহমেদুর রহমান সবুজ এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ), এমএস (প্লাস্টিক সার্জারি), ছোট- হামিদুর রহমান সাব্বির স্থাপত্যে মাস্টার্স, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক।
কবি ভালোবাসেন প্রকৃতি ও মানুষকে। মূল্যবোধের অবক্ষয় তাঁকে পীড়া দেয়, যন্ত্রণাবিদ্ধ হন সামাজিক অস্থিরতায়। তাইতো তাঁর লেখায় প্রস্ফুটিত হয় কান সজাগ করা কাব্য চেতনার সামাজিক দায়, দেশাত্মবোধের প্রীতি ও প্রতীতি। যে প্রতীতির প্রাণরসায়নে উদ্ভাসিত হয় মন ও মননের প্রকোষ্ঠ। যার ভেতর থেকে উঠে আসে সততার সচেতন ডাক -
“যদি না জীবন বোধে শিরদাঁড়া সোজা হয়, আলোক আঁধারে ঢেকে সে জীবন বোঝা হয়।”