অরাজনৈতিক রাজনীতি
গত শতাব্দীর শেষ দশকে বইটি প্রকাশিত হয়। এর বিভিন্ন কবিতার রচনাকাল তারও এক দশক আগের। কিন্তু ঠিক আজকের এই মুহুর্তের জন্য এই বইয়ের প্রতিটি কবিতার প্রতিটি লাইন এতটাই প্রাসঙ্গিক। এটা পড়ে আপনি বলবেন ওয়াও। আজকাল কবিরা জ্বালাময়ী কবিতা লেখেন না আর আর কবিতার শব্দ দিয়ে প্রতবিাদের ডালি সাজান না। কিন্তু একসময় কবিতা দিয়েও হয়েছে আন্দোলন। এই বইয়ের কবিতা পড়লে আপনি প্রতিবাদী চেতনার স্মৃতি ফিরে পাবেন। আর বলবেন সমাজের এই নোংরা চেহারাতো প্রতিদিন দেখি কিন্তু কবিতার আয়নায় কবির চোখ দিয়ে যদি সমাজের নোংরা জিনিসগুলো দেখেন তখন সমাজের এই সমস্যা আপনাকে নতুন করে ভাবাবে।
প্রতিনিয়ত চরিত্র বেচে বেচে আমরা তেল নুন কিনে আনি। নিজের আদর্শ আর মূল্যবোধ বিষর্জণ দিয়ে অন্যের চামচামি করার জন্য আমরা কতো নোংরা আর নিচে নামতে পারি। আর নেতারা কতো সহজে কিনে নেয় আমোদের চেতনা প্রেরণা, আর আমরা হয়ে যাই বাজার থেকে কিনে আনা পালের এক একটা ভেড়াযেন। কেন আমাদের মনষ্্যত্বের এই অধগমন। কোথায় এর শেষ, কি এর সমাধান।
না কবি সমাধানের কথা বলেন নি। সেটা বলাও কবির কাজ নয়। তিনি কেবল ভাবনার জায়গাতে একটু আচড় দিয়েছেন।
আরিফ মঈনুদ্দিন বলেন, লেখায় যদি লেখকের পরিচিয় বহন করে, হয়তো হুদয়জুড়ে নয়তো আস্তাকুড়ে।