নাজমীন সুলতানা, যিনি চিন্তা চেতনার চেয়েও অনেক বেশি হৃদয় দিয়ে লিখেন। তাই তার গল্প সুখ, দুঃখ, আনন্দ ও মৌনতায় ঘেরা। প্রতিটি গল্পই ভিন্ন। বেশ ক’টা গল্পে চরমভাবে দেশের বাইরের চালচিত্র উঠে এসেছে। কিছু গল্প গাম্ভীর্যে ভরা, পরিকল্পনার ছকে পরিপুষ্ট। যদিও কোথাও তিনি তার নিজস্ব চিন্তাধারাকে চাপিয়ে দেননি, বরং সমাজের আঁধার-আলোর মাঝে লুকিয়ে থাকা গল্পগুলোকে কল্পচিত্তে ফুটিয়ে তোলায় দারুণ মুনশিয়ানা দেখিয়েছেন।
নাজমীন সুলতানা একজন মা এবং একজন কন্যাও বটে। তার ‘অপরাহ্নের গল্প’ গ্রন্থে অধিকাংশ গল্পে তার মাতৃরূপ ও কন্যারূপের প্রমাণ মিললো। ছোট পরিধির সহজ-সরল বাক্য তার গল্পের অন্যতম বৈশিষ্ট্য, এ গ্রন্থে তিনি যুক্তির চেয়েও মননকে বেশি প্রধান্য দিয়েছেন। যা নাজমীন সুলতানাকে অনন্য রূপে পাঠকদের সামনে তুলে ধরবে। এর আগে ‘ভালোবাসার অণুকাব্য (কবিতা), মেঘ সমুদ্র ও পাহাড়ের হাতছানি (ভ্রমণগদ্য)’ প্রচুর প্রশংসা কুড়িয়েছে।
‘অপরাহ্নের গল্প’ পাঠকদের মন ছুঁয়ে যাবে, নতুন লিখিয়েদের জন্য অনুস্মরণীয় হবে এবং বাংলাসাহিত্যের একটি আকরগ্রন্থ হবে বলে বিশ্বাস রাখি।