অনিরুদ্ধ রনি সমকালীন বাংলা সাহিত্যের একজন প্রতিশ্রুতিশীল কবি ও কথাসাহিত্যিক। তিনি কুমিল্লা জেলার চান্দিনা উপজেলার দোল্লাই নোয়াবপুর ইউনিয়নের লেবাশ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। প্রতি বছরের ১১ জানুয়ারি তার জন্মদিন উদযাপিত হয়।
শৈশব থেকেই সাহিত্যচর্চার প্রতি গভীর অনুরাগ, গ্রামের বর্ষায় ভরা দিঘি, আর রাতের চাঁদের আলোয় উঠুনে বসে গল্পের আসর থেকেই তার গল্প ভাবনার শুরু থেকে তিনি কবিতা, গল্প, উপন্যাস ও গানে নিজস্ব স্বর তৈরি করেছেন। প্রেম, বিরহ, মানবিক অনুভূতি, জীবনসংগ্রাম ও সমাজবাস্তবতা তার লেখার প্রধান উপজীব্য। সহজ অথচ হৃদয়ছোঁয়া ভাষাশৈলী তাকে পাঠকমহলে আলাদা পরিচিতি এনে দিয়েছে।
তিনি “প্রভাতফেরী সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র”-এর প্রতিষ্ঠাতা। সাহিত্যচর্চা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে নতুন প্রজন্মের মাঝে সাহিত্যপ্রেম জাগিয়ে তুলতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
তার একক কাব্যগ্রন্থ চুম্বনের উত্তাপ পাঠকমহলে বিশেষ সমাদৃত। সম্পাদিত কাব্যগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে পাঁজরের চৌকাঠ ও নির্জনতায় সঙ্গী। এছাড়াও যৌথ কাব্যগ্রন্থ ষোল ডানার পাখি, বসন্ত বিলাপ ও কান্ডারি হুশিয়ার-এ তার লেখা সংকলিত হয়েছে। বিভিন্ন ত্রৈমাসিক ম্যাগাজিন ও জাতীয় পত্রিকায় নিয়মিত প্রকাশিত হচ্ছে তার কবিতা ও সাহিত্যকর্ম। অনিরুদ্ধ রনির লেখায় অনুভূতির গভীরতা ও শব্দের মাধুর্য পাঠককে বারবার স্পর্শ করে। তার সৃষ্টিশীলতা বাংলা সাহিত্যে নতুন সম্ভাবনার দিগন্ত উন্মোচন করছে। তার জনপ্রিয় সকল বইয়ের মধ্যে চুম্বনের উত্তাপ বইটি বেশ জনপ্রিয়তা লাভ করে।
শিক্ষা জীবনে তিনি ডিপ্লোমা ও বি এস সি ইন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং সম্পন্ন করেন বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে এবং সাহিত্যকর্মের প্রতি তার অনুরাগ থেকে তিনি বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে মাস্টার্স সম্পন্ন করেন।
“প্রেম হইলো ঈশ্বর যে পাইলো সে যেনো ঈশ্বররে পাইলো”, “ঈশ্বর তো নিজেই প্রেমের কাঙ্গাল” প্রেম, বিরহ, ভালোবাসা, একাকীত্ব এবং সুফিবাদ চর্চা তার নিয়মিত কবিতার জননী।