আমরা যে মানবসম্পদ তৈরি করতে চাচ্ছি তারা কৌশলী হবে, নৈতিকতাসম্পন্ন হবে ও দায়বদ্ধতা অনুভব করবে। আমাদের তথ্য কতটুকু মানসম্পন্ন সেটি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। মানসম্পন্ন তথ্যের ওপর নির্ভর করে মানসম্পন্ন হিসাব। যিনি ব্যালেন্স শিট তৈরি করেন তিনি মালিক নন, তিনি হিসাব কর্মকর্তা। মালিক ও কর্মকর্তার মধ্যে আস্থা-বিশ্বাসের সম্পর্কের বিষয়টি খুব জরুরি। মালিক সব সময় চান বেশি মুনাফা করতে। আবার আয়কর বিভাগে গেলে মুনাফা অনেক কমে যায়। অর্থাৎ সরকার ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে আস্থা ও বিশ্বাসের বড় রকমের সংকট রয়েছে। সরকার ও ব্যবসায়ীদের মধ্যকার এ সংকট দূর করতে হবে। তাদের মধ্যে অংশীদারি আরও জোরদার করতে হবে। এমন কিছু কোম্পানির শেয়ারের দাম বাড়ে যারা বছরের পর বছর লোকসান দিচ্ছে বা বন্ধ হয়ে আছে। এটা কীভাবে সম্ভব, আমি নিজেও বুঝি না। অর্থাৎ যে প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এসব কোম্পানির তথ্য আমাদের কাছে আসে, সেটা সঠিক না। তথ্য আসার প্রক্রিয়ার মধ্যে ষড়যন্ত্র আছে। এ ষড়যন্ত্র বা ভুল কারা ধরবেন? গণমাধ্যম? গণমাধ্যমের কর্মীরা কতটুকু কৌশলী? তাঁরা একটি ব্যালেন্স শিটের কোথায় ভুল ধরবেন? কীভাবে এসইসিকে চ্যালেঞ্জ করবেন?
এখানে আবার তথ্য আইনের কিছু বিষয় চলে আসবে। হিসাবব্যবস্থার পদ্ধতির বিপর্যয়ের ফলে আমেরিকার অনেক কোম্পানি বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। সেখান থেকেই কোম্পানির সুশাসন ও সিএসআরের (কোম্পানির সামাজিক দায়িত্ব) বিষয়টি জোরালোভাবে সামনে এসেছে।
কোম্পানি ও কোম্পানির ব্যাবস্তপনা নিয়ে লিখেছেন বইটি। পড়ে দেখতে পারেন এই বইটি।