বহুদিন পর কতগুলো বর্ণগন্ধময় আনকোরা লেখা পড়লাম। কোনো কোনোটা দুই-তিনবারও পড়েছি। সময় নিয়ে পড়েছি। এ এক ঘোরগ্রস্থ জার্নি। জার্নি বাই পোয়েম। তবে সব লেখাই যে পোয়েম বা কবিতা হয়ে উঠেছেÑ
আমি কবিতার ব্যাকরণ বোদ্ধা নই, তবে কবিতার পাঠক, কাব্যসুধার রস আস্বাদক। সে তাগিদে ছবির কাব্যগ্রন্থটির বেশ কিছু কবিতা পড়লাম। বলা উচিত, একটানা পড়ে গেলাম। একটুও বিরক্তি জাগেনি। উৎসাহ-হারা হইনি সামান্যও। সত্যি বলতে, কোনো কোনো কবিতা, কবিতার উপমা ও কল্পচিত্র পড়তে গিয়ে মনের বীণায় মৃদুস্বরে যেন এমন আকাঙ্খা বেজে ওঠেছিল– ‘পাঠক না হয়ে যদি এমন কবিতার ‘কবি’ হতে পারতাম!’
আমাদের যাপিত জীবনের পরতে পরতে এমন বহুবিচিত্র ভাব-কল্পনা, উপলব্ধি, ব্যক্তিগত স্মৃতি, সাধ-স্বপ্ন কিংবা প্রত্যয়ের যাতায়াত হয়, যা সাধারণ কথায়-ভাষায় আমরা প্রকাশ করতে পারি না, কিংবা প্রকাশ করা যায় না। প্রকাশ করতে হলে আশ্রয় নিতে হয় শিল্পের। এই শিল্পের অধিকারে যে যতটা শক্তিমান, সাফল্য ও সার্থকতার পথে সে ততটাই অগ্রসর। কবিতাগুলি পড়ে মনে হয়েছে, সবেমাত্র যাত্রা শুরু করলেও, প্রস্তুতি ও প্রতিভার জোরে ওমর আল হুসাইন ইতোমধ্যেই বহুদূর এগিয়ে গেছে এবং আমার দৃঢ় ধারণা, এই যাত্রা অব্যাহত থাকলে গন্তব্য স্পর্শ করতে তার সময়ক্ষেপণ করতে হবে না খুব বেশি।
কবি হিসেবে তাঁর জয়যাত্রা কামনা করি
এবং কামনা করছি সদ্যপ্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ ‘এমন অতৃপ্ত দুপুর’ এর পাঠকপ্রিয়তা।
লিখেছেন শ্রদ্ধেয় বড় ভাই Kazi Akram