রক্তাক্ত সাহিল করিমের জ্ঞান ফিরল এক পোড়োবাড়ির ভেতর। জ্ঞান ফেরার পর সে বুঝতে পারল তার বিগত দশ বছরের স্মৃতি নেই। বাইরের দুনিয়ায় এসে সে জানতে পারল, সে নাকি এক জনপ্রিয় গোয়েন্দা ছিল, কিন্তু এই মুহুর্তে নিজের স্ত্রীকে হত্যার দায়ে ফাঁসির রায় মাথায় নিয়ে ফেরারী হয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে।
সে এও জানতে পারল, তার শেষ কেইস ছিল এক জনপ্রিয় এমপিকে মরণোত্তর নির্দোষ প্রমাণ করা, যেই এমপির ফাঁসি হয়েছিল নিজের সন্তানকে নিজেই হত্যা করায়।
এদিকে ঢাকায় ভয়াবহ হামলা চালালো আ*ল*কা*য়ে*দা। নিজের পকেটে থাকা এক চিরকুট অনুযায়ী সাহিল বুঝল, তার স্ত্রী হত্যা, সেই এমপির ফাঁসি, আর ঢাকার আ*ল*কা*য়ে*দা*র আক্রমণ সবকিছুই একসূত্রে গাঁথা। একা এই দুর্ভেদ্য রহস্য ভেদ করতে পারবে না সাহিল করিম। সে সাহায্য চাইতে খুজতে থাকে এক কিংবদন্তির জীবকে, লোকে যাকে দানব বলে।
শোনা যায়, যখন অসহায়ের চোখের পানি শুকিয়ে যায়, দানব আসে। অত্যাচারীর রক্ত দিয়ে সেই চোখের পানির দাম চুকাতে....