24 verified Rokomari customers added this product in their favourite lists
TK. 90
‘উচ্চারণের ক্লাস’ বইয়ের ভূমিকাঃ
শুদ্ধ উচ্চারণ বাকশুদ্ধিরই একটি অংশ। মানুষের ভাষায় পরিচয় প্রকাশ পায় তার কথায় আর তার লেখায়। উভয় ক্ষেত্রেই ভাষার বিশুদ্ধতা রক্ষা করা একান্
উচ্চারণ হলো শব্দের ধ্বনিগত প্রকাশ। ধ্বনির সাথে উচ্চারণের গভীর সম্পর্ক রয়েছে। শুধু ধ্বনির অবস্থান জানলেই উচ্চারণ সঠিক করা যায়। উচ্চারণের সাথে বাগযন্ত্রেরও গভীর সম্পর্ক রয়েছে। যার বাগযন্ত্র অর্থাৎ ঠোঁট, দাঁত, তালু, জিভ, নাক, কণ্ঠ, ফুসফুস ইত্যাদি স্বাভাবিক নয় সে শুদ্ধ উচ্চারণ করতে ব্যর্থ হবে; এতে লজ্জার কিছু নেই। কিন্তু যার বাগযন্ত্র স্বাভাবিক তবুও সে সফলভাবে শব্দ উচ্চারণ করতে পারছে না; তার তো বড় লজ্জা! একজন বাঙালি যে দেশপ্রেমিক তার প্রথম ও প্রধান প্রমাণ সে বাংলা শব্দের অর্থ জানে, প্রমিত বানান জানে এবং শুদ্ধ উচ্চারণ করতে পারে। তাই সঠিক উচ্চারণ একজন খাঁটি বাঙালির অহংকার। শুদ্ধবাক্য ও শুদ্ধ উচ্চারণ একজন ব্যক্তিকে মার্জিত ও শালীন করতে সাহায্য করে। কিন্তু নিম্নক্ষেত্রে অশুদ্ধ বেশি লক্ষ করা যাচ্ছে। এই অহংকার রক্ষার জন্য আজ আর প্রাণ দিতে হবে না; শুধু ৬১টি নিয়ম সচেতনভাবে জানলেই হবে। শব্দ স্বাভাবিকভাবে বলার জন্য সঠিক উচ্চারণ জরুরি। ‘কঅবি’ কষ্টদায়ক উচ্চারণ কিন্তু ‘কোবি’ উচ্চারণটি কী আরামদায়ক! অশুদ্ধ উচ্চারণ শুধু লজ্জা নয় মুখকেও কষ্ট দেয়। মাত্র ৬১টি নিয়মের মাধ্যমে সবার নিকট থেকে সারা জীবনের জন্য ভালোবাসা পাওয়া বড় একটি অর্জন, নয় কি? ‘উচ্চারণের ক্লাস’ সম্পূর্ণ ব্যাবহারিক একটি গ্রন্থ তাই গ্রন্থটি পড়া জরুরি।
Was this review helpful to you?
By Mahbub Zaman, Oct 10, 2017
উচ্চারণ হলো শব্দের ধ্বনিগত প্রকাশ। ধ্বনির সাথে উচ্চারণের গভীর সম্পর্ক রয়েছে। শুধু ধ্বনির অবস্থান জানলেই উচ্চারণ সঠিক করা যায়। উচ্চারণের সাথে বাগযন্ত্রেরও গভীর সম্পর্ক রয়েছে। যার বাগযন্ত্র অর্থাৎ ঠোঁট, দাঁত, তালু, জিভ, নাক, কণ্ঠ, ফুসফুস ইত্যাদি স্বাভাবিক নয় সে শুদ্ধ উচ্চারণ করতে ব্যর্থ হবে; এতে লজ্জার কিছু নেই। কিন্তু যার বাগযন্ত্র স্বাভাবিক তবুও সে সফলভাবে শব্দ উচ্চারণ করতে পারছে না; তার তো বড় লজ্জা! একজন বাঙালি যে দেশপ্রেমিক তার প্রথম ও প্রধান প্রমাণ সে বাংলা শব্দের অর্থ জানে, প্রমিত বানান জানে এবং শুদ্ধ উচ্চারণ করতে পারে। তাই সঠিক উচ্চারণ একজন খাঁটি বাঙালির অহংকার। শুদ্ধবাক্য ও শুদ্ধ উচ্চারণ একজন ব্যক্তিকে মার্জিত ও শালীন করতে সাহায্য করে। কিন্তু নিম্নক্ষেত্রে অশুদ্ধ বেশি লক্ষ করা যাচ্ছে। এই অহংকার রক্ষার জন্য আজ আর প্রাণ দিতে হবে না; শুধু ৬১টি নিয়ম সচেতনভাবে জানলেই হবে। শব্দ স্বাভাবিকভাবে বলার জন্য সঠিক উচ্চারণ জরুরি। ‘কঅবি’ কষ্টদায়ক উচ্চারণ কিন্তু ‘কোবি’ উচ্চারণটি কী আরামদায়ক! অশুদ্ধ উচ্চারণ শুধু লজ্জা নয় মুখকেও কষ্ট দেয়। মাত্র ৬১টি নিয়মের মাধ্যমে সবার নিকট থেকে সারা জীবনের জন্য ভালোবাসা পাওয়া বড় একটি অর্জন, নয় কি? ‘উচ্চারণের ক্লাস’ সম্পূর্ণ ব্যাবহারিক একটি গ্রন্থ তাই গ্রন্থটি পড়া জরুরি।