আয়রে আমার টগরফুল, চরপদুমপাল, অরণ্য সৌন্দর্যের এক অজপাড়াগাঁ। এ গাঁয়ের জীবন-প্রকৃতির র্যিাসে নিকানো সাইফুল ইসলাম। শিশিরের মনন। তাঁর মনের উঠানে জমে থাকা ভোরের শিশির বিন্দুগুলো শব্দে রূপান্তরিত করে গেঁথেছেন কথার মালা আয়রে আমার টগরফুল। সেখানে সৌরভ ছড়াচ্ছে আমাদের সোনালী দিনের ফুল।
লেখকের মনের অজান্তেই আয়রে আমার টগরফুল হয়ে উঠেছে লোক-ঐতিহ্যের ঐশ্বর্য্যমন্ডিত এক ধ্রুপদী চিত্রকলা। এর সৃজন-চিন্তা-চেতনার ললিত বিস্তার বিশেষভাবে লক্ষণীয় প্রকৃতির উপমা উপাখ্যান দিয়েই এর শরীরে দেয়া হয়েছে নরম আদল। ফুটিয়ে তোলা হয়েছে আনন্দময় জীবনের স্বাপ্নিক প্রতিচ্ছবি। শিল্পীত সুষমায় উদ্দীপ্ত করা হয়েছে আধুনিক বোধ ও অনুভবকে।
সামাজিক দায় বোধের তাড়নায় তৃষিত লেখক ছুটে বেড়িয়েছেন পৃথিবীর একপ্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে। নিবিষ্ট ফেরারী হয়ে সন্ধান করেছেন বস্তুর ভেতরের অন্তররূপ। গোঁড়ামী ভেঙ্গে গড়েছেন নতুন আঙ্গিক। অবশেষে কখনও গ্রামীণ সরলতার প্রতীকে আবার কখনও শহুরে মুখাবয়বে খুঁজে পেয়েছেন ইস্পিত জীয়ন কাঠি।