কৃষিবিদ বণিক রামকৃষ্ণের লেখা ‘টবে ফুল চাষ’।ছোট টবে বড় গাছ লাগানো যেমন অনুচিত তেমনি বড় টবে ছোট গাছও বেমানান দেখায়।টবের নিচে ছিদ্র থাকতে হবে অবশ্যই। যাতে অপ্রয়োজনীয় পানি চুইয়ে পড়তে পারে। ছিদ্রটি ছোবড়া বা ইটের টুকরো দিয়ে ঢেকে তারপর টবে মাটি রাখুন। খুব ভারি টবের নিচে প্লেট রাখা জরুরি। প্রয়োজনে কয়েকটি ইটের উপর বসাতে পারেন টব। ফুল শুকানো শুরু করলেই ছেঁটে দিন। এতে দীর্ঘদিন ধরে ফুল ফুটাতে সক্ষম হবে আপনার প্রিয় গাছটি। টবের জন্য উপযুক্ত গাছ নির্বাচন করুন। দীর্ঘজীবী অথবা বৃক্ষজাতীয় গাছ টবে বেশিদিন বাঁচে না। নানা ধরণের মৌসুমি ফুল টবের জন্য সবচেয়ে ভালো। সব মৌসুমের ফুল কিছু কিছু করে লাগাতে পারেন। এতে সারা বছরই বিভিন্ন ফুলের দেখা মিলবে আপনার টবে। গোলাপ, গাঁদা, বেলি, অপরাজিতা, ডালিয়া, চন্দ্রমল্লিকা, নয়নতারা, গন্ধরাজ গাছ লাগাতে পারেন বারান্দায় রাখা টবে। ছাদে জায়গা থাকলে বড় বা মাঝারি টবে হাসনাহেনা, জুঁই, বাগানবিলাস, টগর, জবা কিংবা শিউলি ফুল গাছ রাখা যেতে পারে। ফুলের পাশাপাশি ফল গাছও লাগাতে পারেন টবে। তবে এজন্য পর্যাপ্ত রোদ, আলো বাতাস ও প্রশস্ত জায়গা থাকা প্রয়োজন। সবচেয়ে ভালো হয় বাড়ির সামনের খোলা জায়গা অথবা ছাদে রাখা টবে ফলের গাছ লাগালে। পেয়ারা, আমলকী, জাম্বুরা, ট্রবেরি, ডালিম, লেবু, মরিচ গাছ ছাদে বা ড্রামে লাগানো যেতে পারে। টবে ফুল ও ফল গাছ লাগানোর আগে কিছু নিয়ম কানুন জেনে রাখা জরুরি।