ইংরেজ শাসনের অবসানে ১৮৫৭ সালে যে সিপাহী বিদ্রোহ শুরু হয় সেখানেও রয়েছে, লাতুর নাম বড়লেখার নাম। বরাবরই লড়াই-সংগ্রামে এ মাটির সন্তানেরা জানবাজি রেখে লড়েছে। ভানুবিল কৃষক প্রজা আন্দোলন কিংবা নানকার বিদ্রোহ সর্বত্রই রয়েছে বড়লেখার বিদ্রোহী সন্তানদের পদচারণা। ন্যায়ের তরে অন্যায়ের প্রতিবাদে যেকোনো অধিকার আদায়ের বিষয়ে সোচ্চার এ জনপদের লোকজনেরা। একাত্তরের মুক্তি সংগ্রামে বড়লেখা ছিলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল। বীরদর্পে রণাঙ্গনের রণকৌশলে বড়লেখার মুক্তিযোদ্ধারা রেখেছেন অবদান। ভারতীয় সীমান্ত ছোঁয়া এ অঞ্চল ঘিরে যেমন রয়েছে প্রাকৃতিক সম্পদ তেমনি এ অঞ্চলের বিদ্রোহী মন ও মনন সম্পর্কে সকলেই জ্ঞাত। প্রগতির পথে প্রতিনিয়ত হাঁটছে বড়লেখা। প্রাকৃতিক লীলানিকেতন এই সবুজ-শ্যামল ভূমির বুকে কান পাতলে আজও শোনা যায় বিপ্লবী শ্লোগান, শহিদের রক্তে রঞ্জিত বড়লেখায় এখনও সজীব ন্যায়ের তুফান।