নৈঋত লেখার জন্য প্রায় বছর দুয়েক সময় নিয়েছি আমি। এত সময় নিয়ে আর কখনো বই লেখা হয়নি। আমার প্রথম বই ঈশ্বরের মুখোশ লেখাটাও যথেষ্ট সময়সাপেক্ষ ছিল। প্রায় বছর দেড়েক সময় লেগে গিয়েছিল। কিন্তু নৈঋত ওটাকেও ছাড়িয়ে গেছে।
নৈঋত লিখেছি আমার ব্যক্তিগত জীবনের এক ঝঞ্ঝাবিক্ষুব্ধ সময়ে। পেশাগত জীবনের নানা ঝক্কি-ঝামেলা, ব্যক্তিগত নানা সমস্যায় লেখায় প্রায়ই দীর্ঘ বিরতি পড়েছে। মাঝে মাঝে নিজেই ভুলে যেতাম গল্পের কাহিনি। কোথায় টুইস্ট দিতে চাচ্ছি। কে এর হিরো, কেইবা এর মেইন ভিলেন। খেই হারিয়ে ফেলতাম পুরোপুরি। বুঝতাম না চরিত্রগুলো কীভাবে ডেভেলপ হবে, গল্পটার কোথায় ছিলাম কিংবা গল্পটাকে কোথায়ইবা নিতে চাচ্ছি। বহুবার ল্যাপটপটা মাথায় তুলে আছাড়ও মারতে মন চেয়েছে। চুলোয় যাক নৈঋত! এই কাহিনি লেখা না হলে দুনিয়ার কিছুই যাবে আসবে না। কয়জনইবা বই পড়ে? কিংবা কয়জনইবা
এই কেলেও