‘আমাকে দশজন যুবক দাও, আমি মালয়ীদের সাথে নিয়ে বিশ্বজয় করে ফেলবো’- এমনি আদর্শিক চেতনা নিয়ে মালয়েশিয়ার নতুন প্রজন্মকে স্বদেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করেছেন যেন, তারা নিজেদের জীবন বাজি রেখে উন্নতির শিখরে পৌঁছে দিয়েছেন মালয়েশিয়াকে। মালয়েশিয়া যখন স্বাধীন হয় তখন তাদের উচ্চ পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তা ছিলোনা। এজন্য ব্রিটিশ জনপ্রশাসনকে ৩-৫ বছর রেখে দিয়ে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দেশীয় দক্ষ কর্মকর্তা তৈরি করেন। মাত্র সাড়ে চার বা পাঁচ দশকে মালয়েশিয়ার নেতৃত্ব জাতীয় জীবনের সব স্রোতধারাকে সম্মিলিত করে রূপান্তরিত করেছে স্রোতস্বিনীতে।