'পেনাল্টি' বইটিতে টেলিকাইনোসিস একটি গুরুত্ববহ বিষয়, যা বুঝতে পাঠকরা আগ্রহী হবে ।
কাহিনী সংক্ষেপঃ দিগন্ত নামের মানুষটা অন্যদের সাথে তেমন মিশতে পারে না, সেটা পরিবার, শিক্ষালয়, অফিস,সমাজ যাই হোক ! দিগন্তের তেমন বন্ধু তৈরি হয় না, যদিও বিরল ২/৩ জন বন্ধুকে তার জীবনে দেখা যায় ৷ জাগতিক কোন বিষয়ের প্রতি তার তেমন আগ্রহ নেই, কারো সাথে সৌহার্দ্য বা প্রতিযোগিতার সম্পর্ক এসব তাকে টানে না! পরিবারের কিছু আত্মীয়র নিষ্ঠুরতা, অফিস কলিগদের অনৈতিকতা, সমাজের মানুষের অদ্ভুত আচরণ, তাকে উদ্বিগ্ন করেছে ক্ষণে ক্ষণে! তারপরও সে তাদের সাথে যথাসম্ভব তাল মিলিয়ে চলেছে জীবন-জীবিকার স্বার্থে ! শায়নি সোস্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে পরিচয়ে দিগন্তকে খুব ভালোবাসে৷ যে নিজের সাজানো সংসার ফেলে অনিশ্চিত জীবনে পা ফেলে,যেখানে পদে-পদে সমস্যা ! সে কি কখনো দিগন্তকে নিজের করে পেয়েছে? মেল এস্কর্ট প্রদীপের উপস্থিতি কেনো শায়নির জীবনে ?
আসলে, পেনাল্টি ফুটবল খেলায় একটি জনপ্রিয় বিষয় । তবে এই পেনাল্টি অন্যরকম, যা হয়তো প্রকৃতি বা নিয়তি ঠিক করে দেয়, কিছু মৃত্যুও তো অনেকটা শাস্তিস্বরুপ ! এই দায়টা কার?
বিধাতাও তো পেনাল্টি দেয়, তাই না !
মনস্তাত্বিক সমস্যা নিয়ে লেখা উপন্যাসে কাহিনী ধীরে ধীরে আগায়, এটাও তাই ৷