67 verified Rokomari customers added this product in their favourite lists
TK. 180TK. 155 You Save TK. 25 (14%)
প্রেমিকার সঙ্গে ছাড়াছাড়ি হবার বেশ কিছুদিন পরেও, ভগ্নহৃদয় ইংরেজি প্রশিক্ষক ও বই প্রেমিক ওয়েসলি স্মিথ ভুলতে পারছে না মেয়েটার বলা শেষ কথাটি 'আর সব মানুষের মত, কম্পিউটারের পর্দায় পড়ত
বই: কিং'স
লেখক: স্টিফেন কিং
অনুবাদক: মো. ফুয়াদ আল ফিদাহ
প্রচ্ছদ: লর্ড জুলিয়ান
প্রকাশনী: অন্যধারা
প্রথম প্রকাশ: জুন, ২০২১
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১২০
মুদ্রিত মূল্য: ১৮০/-
Books are the perfect entertainment ; no commercials, no batteries, hours of enjoyment for each doller spent. What I wonder is why everybody doesn’t carry a book around for those inevitable dead spots in life.
- Stephen King
উর:
প্রযুক্তির সংস্পর্শে বদলে যেতে থাকে আশেপাশের সব কিছু। কিন্তু মুর কলেজের ইংরেজি বিভাগের প্রশিক্ষক ওয়েসলি মুর পুরানো ধ্যান ধারণার জীবনেই যেন বেশি অভস্ত্য। বই পাগল এই শিক্ষকের জীবনে বই-ই তার একাকিত্বের সঙ্গী। একদিন ঝগড়ার জের ধরে প্রেমিকা তার বই ছুড়ে মারে। যাওয়ার আগে বলে যাওয়া তার শেষ কথা ওয়েসলির কানে বারবার বাজতে থাকে। অপমানের প্রতিশোধ নিতে অর্ডার করে বসে কিন্ডেল ই-বুক রিডার। গোলাপি রঙের কিন্ডেল হাতে আসার পর থেকে বদলে যেতে থাকে ওয়েসলির জীবন...
কিন্ডেলের উর থেকে পাওয়া যায় জগৎ-খ্যাত বহু লেখকের অপ্রকাশিত লেখা! যা কোথাও নেই তা কিভাবে এই কিন্ডেলে পাওয়া সম্ভব? যেখানে সবার কিন্ডেলের রং সাদা সেখানে তার কিন্ডেলের রং গোলাপি কেন? নিজের অজান্তেই কিন্ডেলের প্রতি আসক্ত হয়ে পড়ে ওয়েসলি। ব্যাপারটা এখানেই শেষ হতে পারতো, কিন্তু... কিন্ডেল থেকে জানা যায় ভবিষ্যতে ঘটতে চলা ভয়াবহ এক দূর্ঘটনার কথা! ওয়েসলি কি পারবে ভবিষ্যৎ বদলিয়ে দিতে?
বন্ধুর অনুরোধে আমাজনের দ্বিতীয় প্রজন্মের কিন্ডেলের আনুষ্ঠানিক লঞ্চের জন্য স্টিফেন কিং লিখেন তাঁর "উর" উপন্যাসটি। "উর" এর প্রথম প্রকাশ অনলাইন প্লাটফর্মেই হয়।
সাদামাটা জীবন হঠাৎ বদলে যায় ইংরেজির শিক্ষকের। অজানাকে জানার ইচ্ছে ব্যক্তিকে অন্য জগতে নিয়ে যায়। ওয়েসলি, ডন, রোবির টিম ওয়ার্ক সব থেকে ভালো লেগেছে। কিন্তু লক্ষ লক্ষ উরের মধ্যে কোনটা নিদিষ্ট উর এটা কিভাবে বুঝলো, এটা ঠিক বুঝলাম না। সায়েন্স ফিকশন ও মিস্ট্রি ঘরনার উপন্যাসটি বেশ ভালো লেগেছে। লাস্টের অংশটা আনএক্সপেক্টেড ছিল।
ড্রাঙ্কেন ফায়ারওয়ার্কস:
অল্ডেন ম্যাককজল্যান্ডের বাবার মৃত্যুর পর জীবন বিমার জন্য হঠাৎই বদলিয়ে যায় তাদের জীবন। দ্বিতীয় চমক হয়ে আসে মার কেনা লটারির টিকিট। বনে যায় তারা অনেক টাকার মালিক! লেক অ্যাবেনাকিতে তারা কেবিন কেনে, গ্রীষ্মের সময়টা সেখানেই কাটায়। কে জানতো এই কেবিনই একদিন তাদের দূর্ভোগের কারণ হয়ে দাড়াবে!!!
অ্যাবেনাকির হ্রদের অপর পাশেই থাকে বনেদি ম্যাসিমোরা। হঠাৎই শুরু হয় ম্যাককজল্যান্ড আর ম্যাসিমোদের মধ্যে ফোর্থ অভ জুলাইয়ের আতশবাজির লড়াই। ম্যাককজল্যান্ডরা যায় করুক না কেন জিত বারবার ম্যাসিমোদেরই হয়। শেষে বাধ্য হয়ে জনির স্বরনাপন্ন হয়। কিন্তু কে জানতো এটাই হবে শেষ আতশবাজির লড়াই! অল্ডেনকে যেতে হবে জেলে! কী হবে এর ফলাফল?
খেলা যে কখন লড়াইয়ে পরিণত হয়, তা কে জানে। এই বিষয়ই ফুটে উঠেছে ড্রাঙ্কেন ফায়ারওয়ার্কসে। আতশবাজির বর্ননা সবচেয়ে আকর্ষণীয় অংশ গল্পের, কিভাবে চারিদিকে আলো ছড়িয়ে পড়ে, রং এর বর্ননা। শেষটা এত সহজেই যে সমাধান হবে এটা ভাবি নাই।
বরাবরের মতোই ফুয়াদ ভাইয়ার অনুবাদ বেশ সাবলীল। কিন্তু কিছু শব্দচয়ন কঠিন মনে হয়েছে আমার কাছে। এছাড়া বইয়ের পেজ, বাঁধাই অসাধারণ। পেজ খুলে যাওয়ার ভয় নেয়। প্রচ্ছদ ও লেটারিংও বেশ ভালো লেগেছে। কিংস সিরিজের আরও অনেক বই পাঠকের হাতে পৌছাবে এই আশা রাখি।