স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলাদেশের কিছু যুবকের কাহিনী, যাদের কেউ চাকরি-ব্যবসা কিছুই করে উঠতে পারছে না, আবার কেউ কেউ হঠাৎ ফুলে ফেঁপে উঠলো। কবিতা লেখা রফিকের সাংবাদিকের চাকরি চলে গেলে সে মদ খায় নাজিরের পয়সায়। ছা-পোষা সংসারের কেয়ার জন্য লাখপতি নাজিরের ভীষণ প্রেম। ফরহাদের ব্যবসা লাটে উঠতে দেরি নেই, তবু সে মনে মনে কোটি টাকার হিসাব মেলায়। টুনু গাইড হয়েছে জুলিয়া নামের এক জার্মান তরুণীর। নাজির-কেয়ার প্রেম ভেঙে যায়, কেননা কেয়ার পূর্ববর্তী বসের সঙ্গে তাঁকে সমঝোতা করতে হয়েছিল। সেই সময় জুলিয়া, রফিকরে গাইড হিসেবে নিয়ে বাংলাদেশ ঘুরতে বেরোয়।
খুব মহৎ কোন লেখা না, তবু মনে থাকবে অনেকদিন।