22 verified Rokomari customers added this product in their favourite lists
TK. 280TK. 249 You Save TK. 31 (11%)
"তুমি একটু কেবল বসতে দিও কাছে" বইটি সম্পর্কে কিছু কথা:
এই উপন্যাসটা কি প্রেমের, ভালােবাসার ? এটা পাঠকের উপর ছেড়ে দিচ্ছি । কিংবা অন্যরকম প্রতিশােধের, যেখানে আমি-আপনি দাড
#rokomari_book_club_review_competition
রিভিউদাতার নাম:তুনিশা গুহ।
পোস্ট নং:০৭।
📘 বই বৃত্তান্ত:
.........................
বইয়ের নাম: তুমি একটু কেবল বসতে দিও কাছে।
লেখক: সুমন্ত আসলাম।
ধরণ: সমকালীন উপন্যাস।
প্রথম প্রকাশ: একুশে বইমেলা,২০২১।
প্রকাশনায়: অন্যপ্রকাশ।
প্রচ্ছদ: মাসুম রহমান।
পৃষ্ঠাসংখ্যা: ১২০।
📘 বইটির পটভূমি:
...................................
ভালোবাসা পৃথিবীর সবথেকে শুদ্ধতম অনুভূতি। কিন্তু সেই ভালবাসাই যদি হয় সবচেয়ে বেশি যন্ত্রণার। যন্ত্রণার অনলে সেই ভালোবাসা পুড়ে ছাই হয়ে যায়। ভালোবাসার বিষাদ-যন্ত্রণায় গাঁথা থ্রিলারধর্মী বইও বলা যেতে পারে এটিকে।বইটির অন্যতম প্রধান চরিত্রগুলো হলো সাবের আবসার, তার বড় মেয়ে হৃদি,ছোট মেয়ে নীতু, হৃদির স্বামী মারুফ, নীতুর প্রেমিক খালিদ।
📘 কাহিনী সংক্ষেপ (অসমাপ্ত) :
......................................................
তুমি একটু কেবল বসতে দিও কাছে
আমায় শুধু ক্ষণেক-তরে
আজি হাতে আমার যা কিছু কাজ আছে
আমি সাংঙ্গ করব পরে।।
একটি পরিবারের মিষ্টি দুই বোন নীতু ও হৃদি যাদের জীবনটা অসম্ভব যন্ত্রণাময় হয়ে যায় এক অনাকাঙ্ক্ষিত অঘটনের পর। বড় বোন হৃদি যেদিকে কিছুটা ভীতু স্বভাবের সেদিকে ছোটবোন নীতু ততটাই সাহসী। হৃদির সাথে বিয়ে হয় মারুফের। আর নীতুর ছিলো একজন ভালোবাসার মানুষ। কিন্তু শেষ পর্যন্ত নীতুর প্রেমের পরিণতি কি হলো? এমন কি অঘটনই বা ঘটেছিলো দুই বোনের জীবনে? কাহিনীর শেষে থ্রিলারের মতো একটি দুর্দান্ত চমক পেতে বইটি পড়ে ফেলতে পারেন।
📘 বইটি কেন পড়বেন?
.........................................
ভালোবাসা থেকে প্রতিশোধের যাত্রাতে ঘুরে আসতে চাইলে বইটি পড়ে মজা পাবেন। পুরো বইয়ের একদম শেষের চমক পাঠকদের থ্রিলারের আনন্দ দিবে। কাহিনীর শেষের চমকের জন্য বইটি বেশ আকর্ষণীয় মনে হয়।
📘 পাঠ প্রতিক্রিয়া :
.......................................
লেখকের বইটি কাহিনীর শেষের চমকের জন্য পরিচিত হলেও বেশ কিছু দিকের রহস্য উন্মোচিত হয় নি। যেটা আমার কাছে একটু ঘোলাটে মনে হয়েছে। এছাড়া সর্বপরি বইটিতে ভালোবাসা, বিষাদ, বিশ্বাসঘাতকতা, প্রতিশোধ, কিছুটা থ্রিলার ভাব ছিলো। যার জন্য বেশ কিছু জায়গা বেশ রোমাঞ্চকর
মনে হয়েছে।
📘 কবি পরিচিতি ও কর্মযজ্ঞ:
...............................................
কথা সাহিত্যিক সুমন্ত আসলাম এর জন্ম সিরাজগঞ্জ জেলায়, মা রওশনারা পারুল ও বাবা মরহুম সোহরাব আলী তালুকদার। স্ত্রী ফারজানা ঊর্মি আর মেয়ে সুমর্মীকে নিয়ে গড়ে উঠেছে এই লেখকের সংসার। সিরাজগঞ্জে বাড়ির পারিবারিক লাইব্রেরিতেই বই পড়ার হাতেখড়ি তার। সেই সূত্রে ছোটবেলা থেকেই বই পড়ার অভ্যাস গড়ে উঠলেও লেখালেখির শুরু ঢাকায় আসার পরে। ছোটগল্পের বই ‘স্বপ্নবেড়ি’ তাঁর প্রকাশিত প্রথম বই, যা প্রকাশনায় ছিল ‘সময় প্রকাশন’। লেখালেখির পাশাপাশি বর্তমানে তিনি কাজ করছেন সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষিত করে তুলতে, চাইল্ড ড্রিম সোসাইটি নামের একটি সংগঠনে। এছাড়াও জড়িয়ে আছেন সাংবাদিকতা পেশার সাথে। পাঠক জনপ্রিয়তার দিক থেকে বিবেচনা করতে গেলে সুমন্ত আসলামের সেরা বই হিসেবে নাম উঠে আসবে ‘হয়তো কেউ এসেছিল’, ‘জানি না কখন’ বা ‘কে তুমি’ অথবা ‘যদি কখনো’ এর মতো জনপ্রিয় সব বই এর নাম । এছাড়াও ‘নীল এই যে আমি!’, ‘আমি আছি কাছাকাছি’, ‘অ্যালিয়ান’, ‘জানালার ওপাশে’, ‘রোল নাম্বার শূন্য’, ‘বীভৎস’, ‘কেউ একজন আসবে বলে’, ‘জিনিয়াস জিনিয়ান’, ‘কোনো কোনো একলা রাত এমন’, ‘তবুও তোমায় আমি’, ‘অনুভব’, ‘মিস্টার ৪২০’, ‘স্পর্শের বাইরে’, ‘ভালো থেকো ভালোবেসে’, ‘ডাঁটি ভাঙা চশমা রাফিদ’, ‘অযান্ত্রিক’, ‘জ্যোৎস্না নিমন্ত্রণ’, ‘প্রিয়ব্রতর ব্যক্তিগত পাপ’, ‘জ্যোৎস্না বিলাস’, ‘মহাকিপ্পন’, ‘তপুর চালাকি’, ‘আশ্চর্য তুমিও!’, ‘হাফ সার্কেল’, ‘কঞ্জুস’, ‘মাঝরাতে সে যখন একা’, ‘আই এম গুড ডু’, ‘আই সে দ্য সান’, ‘তুমি ছুঁয়ে যাও বৃষ্টি তবু’সহ আরো অনেক বই রয়েছে লেখক সুমন্ত আসলাম এর বই সমগ্র এর তালিকায়। এছাড়াও সিরিজ আকারে লিখেছেন ‘বাউন্ডুলে’ ও ‘পাঁচ গোয়েন্দা’র মতো জনপ্রিয় কিছু বই। বর্তমানে তরুণ প্রজন্মের কাছে, এমনকি একুশে বই মেলাতেও সুমন্ত আসলাম এর বই সমূহ এর ব্যাপক চাহিদা লক্ষ্য করা যায়। ভাষাগত সারল্য ও সাবলীলতা তাঁর জনপ্রিয়তার অন্যতম বড় কারণ। মানুষকে কেন্দ্র করে তাকে আবর্তিত করে যা যা আছে তা-ই মূলত তার লেখার বিষয়বস্তু।