75 verified Rokomari customers added this product in their favourite lists
TK. 270TK. 216 You Save TK. 54 (20%)
বাংলা ভাষায় ব্র্যান্ড ম্যানেজমেন্ট বিষয়ক বই মাত্র হাতে গোনা কয়েকটি। সে কারণেই হয়তো বাংলাদেশে উৎপাদিত পন্যগুলো দেশে কিংবা আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে ব্র্যান্ড হয়ে উঠতে পারেনি। বাংলাদেশে
আজকাল এমনিতেই নন-ফিকশন বই বেশি পড়ছি। তার উপর ব্র্যান্ডিং আমার অন্যতম প্রিয় একটা টপিক। সেই আগ্রহ নিয়েই বইটা পড়া শুরু।।।
চলুন জেনে নিই, বইটা নিয়ে কিছু কথা। মোট ১০টি পাঠের সমন্বয়ে রচিত বইটিতে ব্র্যান্ডের সাথে ইমোশনাল বিষয়গুলো কীভাবে সম্পর্কিত সে বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
ইমোশনাল ব্র্যান্ডিং এর শুরু, ইতিহাস এবং ব্যবহার দিয়ে আলোচনা শুরু। এরপর ক্রমান্বয়ে ব্র্যান্ডস ফ্যাক্টস, নিউরোসাইন্স অব ইমোশনাল ব্র্যান্ডিং, সেন্সরি মার্কেটিং ও ব্র্যান্ডিং এই বিষয় গুলো নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। চাপ্টারের নাম গুলো শুনে হয়তো মনে হতে পারে কঠিন কঠিন বিষয় কিন্তু লেখক খুব সহজ ভাষায় উদাহরণের সাহায্যে টপিকগুলো বর্ণনা করেছেন। এরপর ইমোশনাল এডভার্টাইজিং স্ট্র্যাটিজি, ব্র্যান্ড স্ট্র্যাটিজি তৈরির পদক্ষেপ, এডভারটাইজিং সাইকোলজি এই বিষয় গুলোও ইন্টারেস্টিং ভাবে বর্ণনা করা হয়েছে।
বইটির কিছু দারুণ ব্যাপার না বললেই নয়, বিশেষ করে এডভার্টাইজিং সাইকোলজি চাপ্টার টা সবচেয়ে ইন্টারেস্টিং ছিল। এখানে ১০টি এডভারটাইজমেন্ট কৌশল ছিল, সেগুলোর প্রত্যেকটার ছবিসহ বর্ণনা ছিল যে কোন এডে কি রকম ভাবে একটা প্রোডাক্ট উপস্থাপন করলে কাস্টমারের কাছে বেশি দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারবে৷
এছাড়াও অনলাইন এড আর ক্যাম্পেইন এর জন্যে ১০০টি কল টু একশন কি ওয়ার্ডস বইতে দেয়া হয়েছে যেগুলোর সঠিক ব্যবহার একটা এডকে সফল করতে অনেকটাই সহায়তা করবে।
শেষের দিকে লেখক ব্র্যান্ডিং সম্পর্কে স্টারবাকস এর সিইও, স্পেস এক্স এর চেয়ারম্যানদের মত আরো কিছু ব্র্যান্ড গুরুদের মতামত বইটিতে উল্লেখ করেছেন, এ ব্যাপারটাও ভালো লেগেছে।
সর্বোপরি একটি ব্র্যান্ড তৈরীতে ইমোশনাল বিষয় গুলো যেমনঃ রাগ, দুঃখ, হতাশা, আনন্দ প্রভৃতির ব্যবহার করে কীভাবে সেটাকে সফল ব্র্যান্ডে পরিণত করা যায় সেটিই লেখক বইটিতে বিশ্লেষণ করেছেন। ব্র্যান্ড যদি আপনার আগ্রহের বিষয় হয়, তাহলে আপনিও বইটি পড়ে ফেলতে পারেন...