আমি ঈশ্বরের নামে প্রেমের প্রতিজ্ঞা করি, অথচ আমি ঈশ্বরকে দেখিনি কোনদিন; বহু বিরক্ত করেছি, অথচ আমি ঈশ্বরকে দেখিনি কোনদিন।
মানুষের মন ও দেখা যায় না, আদর্শ পরিবেশে আচারন করে ভাইরাসের
মনকে দম নিয়ে চেপে রাখতে গিয়ে নিজেকে মৃত বানিয়ে ফেলেছি।
এরকম আরো অনেক লাইন পড়ে মনে হয়েছে কবি আল হাদী নিধির প্রতিনিধি। সাবলিল আঁধার, গাছের সবুজ, জল বাতাস, আলোর কণ্ঠস্বর।
কবিতায় বর্ণিত কথা গুলো অবশ্যই soul speak এঁর ন্যায়। কাব্যকথা গুলো প্রমাণিত হয়ে যায় -কবির বিশ্বাস, জীবন যাপন, ইত্যাদি বিষয় গুলোর পালনেই একটা নিরন্তর সত্য অর্থাৎ নিখাদ প্রাকৃতিক ভাবধারা বেরিয়ে আসে, যার প্রতিফলন দেখা যায় কবির এই সময়ের দূতাবাস গ্রন্থের সাবলিল কাব্যের প্রাণধারায়।
সুক্রিয়াতেই যেন এই কাব্য প্রেরণার কেন্দ্র -বর্ষায় একদিন, ধারাল অক্ষর, অংশিজন, শেষমেশ মেঘ, কবীন্দ্র, নদীর ঢেউ, কবিতা গুলো পড়ে মনে হবে জীবন্ত ক্রিয়াশীল, পাঠ করলে মন চলন্ত, সংগ্রামী, শুভ চেতনার আবেগে ভর করে, পরিশেষে তা জাগ্রত করে ঘুমন্ত অন্ধকার মন আর মানব প্রাণকে।
আরও মনে হয়েছে তিনি কাব্য তৈরি করেছেন বৃষ্টির ঝরে পড়া ধুয়ে যাওয়া থেকে, নিজেকে অনুভব করতে চেয়েছেন সহজভাবে থেকে যাওয়া নিজের কাছে, জীবনকে দেখতে চেয়েছেন নতুন কোন বোঝা-পড়া থেকে। বুঝে দেখতে দেখতে চেয়েছেন না বোঝাগুলকেও যতখানি বেশি বোঝা যায় তার সমন্বয়ে। মোট তিনশত ষাটটি কবিতা আছে গ্রন্থটিতে যা বহুরকমের সমন্বয় সাধন করেছে বহু নতুন ভাবনারও।
আবু নেওয়াজ বিল্টু
(স্নাতক) বাংলা বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।