কাজী নজরুল ইসলাম আমাদের জাতীয় কবি। তাঁকে এ মর্যাদা ও সম্মান দেয়া যথার্থ।
অত্যন্ত একটি প্রতিকূল পরিবেশে দরিদ্র ও পিতৃহীন এ বালক সামান্য প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা নিয়ে বিপুল অভাব, অনটন আর বঞ্চনার মধ্যে যে প্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছেন, তা অতি সাধারণ থেকে অসাধারণ হয়ে ওঠাই, একটি স্বপ্নের মতোর ব্যাপার।
তিনি মূলত কবি হয়েও সাহিত্যে ও সংস্কৃতির অন্যান্য শাখায় যে উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত রেখেছেন তা বিস্ময়কর।
এক ‘বিদ্রোহী’ কবিতা দিয়েই তিনি জানান দিয়েছেন তিনি সাধারণ কোনো কবি নন। অনন্য কবি। এই কবিতা দিয়েই তিনি বিদ্রোহী কবি হিসেবে অভিহিত হয়েছেন। তিনি সবসময় আর্তপীড়িত, দুস্থ, অসহায় মানুষের পাশে থেকেছেন। তাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন।
বলা যায় তাঁর সমগ্র জীবনব্যাপী অভাব অনটন, ক্ষুধা ছিল নিত্যসঙ্গী। সেই অবস্থাকে মেনে নিয়েই কবি নজরুল কবিতা, গান, উপন্যাস, প্রবন্ধকার, চলচ্চিত্র পরিচালক, সুরকার, গীতিকার, নাট্যকার, অভিনেতা এতসব কি করে তিনি হয়ে উঠেছিলেন যুগ যুগ ধরে তা পাঠকদেরকে ভাবাবে।