8 verified Rokomari customers added this product in their favourite lists
TK. 390TK. 339 You Save TK. 51 (13%)
হেক্টরের ল্যাবরেটরি এইজ ছয়শত ষাট দিন কিন্তু তার বায়োলজিক্যাল এইজ চোদ্দো সপ্তাহ। নানারকম বৈশ্বিক এবং দেশীয় আইনকানুনের কারণে এই পৃথিবীতে তার আগমন অনেকটাই অনিশ্চিত। তারপরও হেক্টরের ‘স
ডিস্টোপিয়ান টিভি সিরিজ কিংবা মুভি জনরা আমার এমনিতেই ভীষণ রকমের প্রিয়।ব্ল্যাক মিরর,অল্টারড কার্বন সিরিজগুলোতে ভবিষ্যতের পৃথিবীকে উপজীব্য করে গল্প এগোয়।যে সময়টাকে আমরা এই সময়ের মানুষগুলো দেখে যেতে পারবনা সেই সময়ের পৃথিবীকে দেখার একটা আলাদা আনন্দ আছে।
বাংলা সাহিত্যে এই জনরার কাজ আর হয়েছে কিনা আমার জানা নেই,কিন্তু মাসউদুল হক সেই কাজটা করেছেন বেশ সার্থকতার সাথেই।
ঢাকা-যে শহর আমাদের অতি পরিচিত,সেই ঢাকাকে আমাদের অচেনা এক সময়ে দেখতে কেমন লাগবে তা ভাবার চেষ্টা করেছেন লেখক।যে ঢাকা ঘুমোয় না,সে ঢাকা এখন মানুষশূন্য,প্রায় পুরোটাই পানিতে ডুবে গেছে-এইটুকো পড়েই সত্যিকার অর্থে এই বইটা পড়ার প্রচন্ড আগ্রহ তৈরি হয়েছিল।
তা বলে এটি সাই-ফাই নয়,এই গল্পটি হেক্টরের গল্প।যে যেকোন মূল্যে এই পৃথিবীতে আসতে চায়,যে শুধু মাত্র একটা প্রায় অপরিপক্ক ভ্রূণ,সবাইকে প্রভাবিত করে যাচ্ছে তাকে পৃথিবীতে নিয়ে আসার জন্য!এর জন্য তার দরকার তৃতীয় একজন নারীকে।
ভবিষ্যতের গল্প বলতে গেলে বর্তমান সময়ের অনেককিছুই আর ব্যবহার করা যায়না, দরকার হয় প্রচন্ড কল্পনাশক্তির। লেখকের সেটা আছে বলেই মনে করি।
এই লেখকের পড়া প্রথম বই ছিল এটা,টানা পড়ে যেতে পেরেছি,ভাষা সুন্দর, পরিশ্রমের ছাপ বোঝা যায় যেটা এখনকার লেখকদের সবচেয়ে বড় সীমাবদ্ধতা।
এই লেখকের লেখা আরো আলোচনায় আসা উচিত বলে মনে করছি এবং লেখকের সাফল্য কামনা করছি।আশা করি তিনি হারিয়ে যাবেননা,লিখে যেতেই এসেছেন।