১০% ইনস্ট্যান্ট ক্যাশব্যাক পুরো জানুয়ারি মাসজুড়ে বই ও পণ্যে বিকাশে মাত্র ৬০০৳+ পেমেন্টে সর্বোচ্চ ১০০৳ পর্যন্ত! পুরো ক্যাম্পেইনে ক্যাশব্যাক পাবেন ১৫০৳ পর্যন্ত!*
আরো দেখুন
১০% ইনস্ট্যান্ট ক্যাশব্যাক পুরো জানুয়ারি মাসজুড়ে বই ও পণ্যে বিকাশে মাত্র ৬০০৳+ পেমেন্টে সর্বোচ্চ ১০০৳ পর্যন্ত! পুরো ক্যাম্পেইনে ক্যাশব্যাক পাবেন ১৫০৳ পর্যন্ত!*
অনলাইন বাণিজ্য মেলায় আপনার পছন্দের পণ্যে ৭৫% পর্যন্ত ছাড়! বছরের শুরুতেই সেরা ডিল, রকমারি অনলাইন বাণিজ্য মেলা, ২০২৬
লেখক আব্দুল মান্নান খান-এর জন্ম ১৯৪৯ সালে যশোর জেলার বাঘারপাড়া উপজেলার পাঠান পাইকপাড়া গ্রামে। গ্রামের সেই পরিবেশ-প্রকৃতির মাঝে ছিল তাঁর নিবিড় চলাফেরা। গভীর ভালোবাসা জন্মেছিল ছুঁয়ে গিয়েছে সেই শৈশব-কৈশোরে। তারপর স্বাভাবিকভাবেই জীবন-জীবিকার তাগিদে সমস্ত ভঅলোবাসা ছেনে ফেলে তাঁকে একনি গ্রাম ছেড়ে ঢাকা শহরে চলে আসতে হয়েছিল। চলে আসেন ঠিকই, তবে তাঁর অন্তরটা পড়ে থেকেছে সেই গ্রামে, সেখানে তিনি সুযোগ পেলেই বার বার ছুটে যান। গিয়েছেন আর হৃদয়টাকে ক্ষত-বিক্ষত করে এনেছেন যখন দেখেছেন কেমন করে দিনে দিনে মরে যাচ্ছে সেই নদীটি যার পাড়ে কেটেছে তাঁর শৈশব-কৈশোরের দিনগুলো। দেখেছেন কেমন করে নিধন হয়েছে গাছপালা আর পশুপাখি- কেমন করে শেষ পরিণতির দিকে এগিয়ে চলেছে যশোরের ঐতিহ্যবাহী খেজুর রসের গুড়পাটালি। মাত্র ৪০-৫০ বছরের ব্যবধানে একেবারে চোখের সামনে ঘটে যাওয়া এসব ঘটনা লেখকের অন্তরে দাগ কেটেছে। যে নদীর ঢেউ দেখে লেখকের অন্তর কেঁপে যেত শৈশবে সে নদী একেবারে পায়ে হেঁটে পার হওয়ার এক অব্যক্ত বেদনা তাঁকে ব্যথিত করেছে এবং তারই বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে এ বইটিতে। যারা সেই গ্রাম দেখেনি তাদের উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করা লেখকের এ বইটি আমাদের গ্রাম্য পরিবেশের একটা সময়ের সাক্ষ্য বহন করেছে নিঃসন্দেহে।
২০০০ সালে লেখকের প্রথম বই ১৯৭১ : এক সাধারণ লোকের কাহিনী ইউ পি এল থেকে প্রকাশিত হওয়ার পর তিনি সুধী পাঠকের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। কর্মজীবনে লেখক প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরাধীন একজন কর্মকর্তা ছিলন। চাকুরির সুবাদে কেবল যে নিজের দেশটাকে ঘুরেফিরে দেখার সুযোগ পেয়েছেন তিনি তাই শুধু নয়- দেশের বাইরেও কিছু দেখার সুযোগ হয়েছে তাঁর। তাঁর চীন ভ্রমণের কাহিনী ড্রাগনের দেশে একখানা সুখপাঠ্য ভ্রমণ কাহিনী ছাড়ও বইটিতে সে দেশের প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থার তথ্যবহুল চিত্র পাওয়া যায়।
আব্দুল মান্নান খানের জন্ম ১৯৪৯ সালে যশোর জেলার বাঘারপাড়া উপজেলার পাঠান পাইক- পাড়া গ্রামে। বাষট্টির শিক্ষা কমিশনের রিপোর্টের বিরুদ্ধে দেশ ব্যাপী ছাত্র আন্দোলনে তিনি স্কুল থেকে অংশগ্রহণ করেন। স্কুলের সকল ছাত্র-ছাত্রীসহ মিছিল-সমাবেশ করেন। সেই থেকে স্বাধীনতা সংগ্রামের সকল আন্দোলনে থেকেছেন রাজপথে। কর্মজীবন শুরু করেন এটিবি (সিভিল) বর্তমানে সিজিএ অফিসে অডিটর পদের চাকরি দিয়ে ১৯৭৩ সালে। ১৯৭৮ সালে তৎকালীন জনশিক্ষা পরিচালকের অধীনে সহকারী হিসাবরক্ষণ অফিসার পদে যোগ দেন। জনশিক্ষা পরিচালকের দফতর দুই ভাগ হয়ে গেলে তিনি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরে সহকারী শিক্ষা অফিসার পদে যোগ দেন। শিশুদের লেখাপড়ার প্রতি লেখকের অনুরাগ তাঁর নিজের শিশুকাল থেকেই। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরাধীন চাকরিতে গিয়ে সুদীর্ঘ সময় শিশুদের লেখাপড়ার বিষয়াদি নিয়ে কাজ করার সুযোগ পেয়েছেন। প্রাথমিক শিক্ষার সাথে লেখকের সম্পৃক্ততা নিবিড়। তিনি ২০০৬ সালে চাকরি থেকে অবসর গ্রহণ করেন। ১৯৯৭ সালে প্রথম তিনি লেখালেখি শুরু করেন। তিনি ছোটদের লেখাপড়া নিয়ে যেমন লেখালেখি করেন তেমন ছোটদের জন্য ছড়া-কবিতাও লেখেন। বর্তমানে তিনি দৈনিক পত্রিকাতে কলাম লেখেন এবং এ বইয়ের সবগুলো লেখা বিভিন্ন সময়ে পত্রিকায় প্রকাশিত লেখা থেকে বাছাই করে নেয়া।