বইটির প্রথম ফ্ল্যাপ থেকে
'জীবনের জন্যে ভালবাসা' উপন্যাসে ফুটে উঠেছে
সামাজিক বিবর্তনের পাশাপাশি টিকে থাকার
জন্যে প্রতিনিয়ত সংগ্রাম মুখুর মানুষের চালচিত্র।
শফিক মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিল আদর্শ শিক্ষক
হিসাবে কাজ করেছে। অবসর জীবনে চারিদিকে
সমাজের পরিবর্তন তাকে অনুভব করায় সময়ের
সাথে জীবন বোধ পাল্টে যায়। তনিমা আর
তৌফিক-কে ঘিরে অনেকগুলো প্রশ্নের মুখোমুখি
হতে হয়। লোরা কি পারবে তৌফিকের সাথে
সুখের নোঙর গড়তে। সখিনার কি হবে? লৌরাই
বা কেন বঞ্চিত হবে ভালবাসার হাত ছানি থেকে?
আর তনিমা সে কি তার স্বামী নোবেল-কে সুখী করতে পারবে? আরিফ কি পারবে লোরার দুঃখ ভুলিয়ে দিতে? অনেকগুলো প্রশ্ন কিন্তু একই সূত্রে গাথা এ জীবন ধারা। প্রকৃত ভ্যালেন্টাইন হওয়া কি সহজ কথা।
বহমান এ জীবনে ভালবাসার রকম ফের থাকতে পারে। কিন্তু ভালবাসার নৈপুণ্যে চারদিক ঝলমল করে উঠে; আধার কেটে জেগে উঠে আলোক রশ্মি অপূর্ব জ্যোতিময় রূপরেখায়।